
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য এড. মো: কামরুল ইসলাম, এমপি। মানস’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ১০ জন সদস্যবৃন্দ। তারা হলেন- উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি, ওবায়দুল মুকতাদির এমপি, পঙ্কজ দেবনাথ এমপি, অসীম কুমার উকিল এমপি, রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, তামান্না নুসরাত বুবলী, জিন্নাতুল বাকিয়া এমপি, সুলতানা নাদিরা এমপি, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম এমপি। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মানস’র সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান তালুকদার।
প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এড. মো: কামরুল ইসলাম, এমপি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন যাতে শক্তিশালী না হয়, ট্যাক্স যাতে সঠিকভাবে আরোপ না হয় তার জন্য বহুজাতিক কোম্পানিগুলো থেকে লবিং শুরু হয়েছে। বর্তমানে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি সংশোধনী চলছে। পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ রাখার বিধান বিলুপ্ত; তামাকজাত দ্রব্য বা প্যাকেট প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা; তামাক কোম্পানির সিএসআর কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা; খুচরা ামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা; ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা; মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার ৯০ শতাংশ করার প্রস্তাবনা এসেছে, যা অত্যন্ত সময়োপোযোগী। সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকতে হবে যাতে এ সংসদে গেলে যাতে পাস হয়।
বীর মুক্তিযোদ্বা প্রফেসর ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, ছেলে-মেয়েরা কিশোর বয়সে ধূমপান দিয়ে শুরু করে মাদকে ধাবিত হয়ে অজস্র বাবা-মায়ের স্বপ্ন নষ্ট করছে। তামাক ও মাদকের মতো ক্ষতিকর নেশার কুফলগুলো বেশি বেশি প্রচার করতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ করা গেলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ‘তামাকমুক্ত বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন সহজ হবে। তামাক কোম্পানিগুলো রাজস্বের দোহাই দিয়ে দেশে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, তামাকের রাজস্বের চাইতে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্য খাতে বেশি ব্যয় হয় তামাকের কারণে।
মানস’র প্রকল্প সমন্বয়কারী উম্মে জান্নাত এর সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ভাইটাল স্ট্রাটেজিস এর হেড অব প্রোগ্রামস্ মো. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক।