রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন

সেমিকন্ডাক্টর খাতে ১০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় সম্ভব: পলক

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪
  • ১৩৬ সময় দেখুন
সেমিকন্ডাক্টর খাতে ১০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় সম্ভব: পলক


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশে সেমিকন্ডাক্টর খাতে ২০৪১ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারের রফতানি আয় করা সম্ভব বলে মনে করছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে প্রযুক্তি খাতের সব স্তরে ন্যানো চিপের বহুমুখী ব্যবহার বাড়বে। আমাদেরকে এ ব্যাপারে এখনই মনোযোগী হতে হবে। শিল্প খাতের প্রয়োজনের নিরিখে দক্ষ জনবল তৈরিতে শিক্ষা কারিকুলাম যুগোপযোগী করতে হবে।

বুধবার (১৫ মে) বিকেলে রাজধানীর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে আয়োজিত বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প খাতের সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, বর্তমান সরকারের উদ্যোগে সারা দেশে বিদ্যুৎপ্রাপ্তিসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও নীতি সহায়তার কারণেই এ খাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বিদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে। বর্তমানে চারটি প্রতিষ্ঠান এই খাতে বেশ ভালো করছে। তবে এ খাতের যথাযথ বিকাশে আমাদেরকে চিপ ম্যানুফেকচারিং, অ্যাসেম্বিলিং ও প্যাকেজিংয়ে আরও বেশি গুরুত্বারোপ করতে হবে।

সেমিকন্ডাক্টর খাতের চাহিদা মেটাতে ৫০ হাজার দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর নীতিমালা প্রণয়ন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০৪১ সালে আমাদের ৫০ বিলিয়ন রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে সেমিকন্ডাক্টর খাতের রফতানি ১০ বিলিয়ন ডলারের উন্নীত করা আবশ্যক। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করাও সম্ভব। স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমাণে বর্তমান সরকার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, সেখানে পৌঁছাতে হলে আমাদের স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট ইকোনোমির পাশাপাশি স্মার্ট প্রাইভেট সেক্টরের সমন্বয় আবশ্যক।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বার সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, রফতানিতে তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে আমদানি বিকল্প শিল্প খাতের বিকাশ ও পণ্যের বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় সেমিকন্ডাক্টর খাতকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। স্থানীয় শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি এ খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে দক্ষ জনবল তৈরির কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য আমাদের শিক্ষাক্রমের আমূল পরিবর্তন ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানোর ওপর মনোযোগী হতে হবে।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফরউল্লাহ্, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম এ হাসীব, বন্ডস্টেইন টেকনোলোজি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর শাহরুখ ইসলাম, সফটওয়্যার টেটোন প্রাইভেট লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠা ও ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব হাসান, ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক লিয়াকত আলী এবং যুক্তরাজ্যের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

সারাবাংলা/ইএইচটি/টিআর





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর