বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহে উল্লেখযোগ্য গতি দেখা গেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ৩.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স—যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই মাসে (জানুয়ারি ২০২৫) রেমিট্যান্স এসেছিল ২.১৮-২.১৯ বিলিয়ন ডলার। ফলে এবার বছর-বছর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৫.১ থেকে ৪৫.৪১ শতাংশ।
রেকর্ডের শীর্ষ তিন মাস:
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) প্রবাসীরা মোট ১৯.৪৪ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১৫.৯৬ বিলিয়ন ডলার—অর্থাৎ প্রায় ২১.৮ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ প্রবাসীদের উৎসাহিত করেছে।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রমজানের আগমন, জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপট এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের সুবিধা বৃদ্ধির কারণে এই প্রবাহ বেড়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই অবদান অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলা, রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক স্থিতিশীলতায় বড় ভূমিকা রাখছে।
তথ্যসূত্র: বাসস।