বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীবাড়ী ইসলামী ব্যাংকের স্কুল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ঢাকার বার্তা মোদিকে জানাতে দিল্লি গেলেন দীনেশ ত্রিবেদী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে ব্যবসায়ীর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৪ ২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বিষয় Bigg Boss 20’s ScoutOP Hints At Feelings For ‘Sister’ Love Gill: ‘Usse Pehle Friend Hota Hai Naa…’ | Television News Head coach Zinedine Zidane celebrates first home win as France crush Belgium 4-1 at Nations League | Football News কর্ণফুলীতে ডেঙ্গু পরীক্ষার কীট ও মশক নিধন সামগ্রিক বিতরণ কূটনীতিকদের সম্মানে খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে অবৈধ দখল উচ্ছেদ কর্ণফুলীতে বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন, দিনব্যাপী কর্মশালা সম্পন্ন ‘আজকের বিতার্কিকরাই আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে’

সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি খাতের মেলবন্ধন জরুরি: অর্থমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪৩ সময় দেখুন
সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি খাতের মেলবন্ধন জরুরি: অর্থমন্ত্রী


ঢাকা: দেশের স্বাস্থ্য খাতের টেকসই রূপান্তর এবং নাগরিকদের সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের কার্যকর সমন্বয় এবং ‘উদ্যোক্তাবৃত্তি’র ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মেলবন্ধন জরুরি।

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) ঢাকায় হোটেল আমারিতে অনুষ্ঠিত ‘পাথওয়ে টু হেলথ এন্টারপ্রিনারশিপ ইন বাংলাদেশ’
শীর্ষক এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো, সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায়) ডা. এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কেবলমাত্র বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, বরং বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ ধরণের যৌথ আলোচনা ও দিক-নির্দেশনা ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে।

মন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি দূরদর্শী ও কার্যকর ‘পরামর্শমূলক জোট’ গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে
তিনি বলেন, আমাদের দক্ষ উদ্যোক্তা, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেসরকারি হাসপাতাল ও শক্তিশালী ওষুধ শিল্প রয়েছে। এবারের বাজেটে ওষুধ শিল্পের এপিআই উন্নয়নের জন্য বড় ধরনের সহায়তা ও আলাদা জোন তৈরি করা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন হলো, এই বিশাল সক্ষমতাকে মূল ব্যবস্থার সাথে কীভাবে একীভূত করা যায়।

বাংলাদেশে চিকিৎসায় জনগণের পকেট থেকে অতিরিক্ত ব্যয়ের হার বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ- যা দুঃখজনক- এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই ব্যয় কমিয়ে সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মেলবন্ধন জরুরি।

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার হিসেবে আখ্যায়িত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার দিকে এগোচ্ছে। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত করা হচ্ছে। অতিরিক্ত সরকারি অবকাঠামো নির্মাণ না করে বেসরকারি খাতের সুযোগ ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশে মেডিকেল যন্ত্রাংশ উৎপাদনে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবারের বাজেটে বিপুল প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে এবং এতে ব্যাপক সাড়াও মিলছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সুযোগ ও সঠিক নীতিমালা পেলে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের অন্যতম সেরা উদ্যোক্তা হতে পারে। বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক আদর্শই হলো বেসরকারি খাতের নেতৃত্বাধীন প্রবৃদ্ধি। আমাদের নেতৃত্ব বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বাসী এবং দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নির্বাচিত সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নীতিনির্ধারণী সহায়তা এবং দেশের প্রতিভাবান উদ্যোক্তাদের কঠোর পরিশ্রম একসাথে দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক যুগান্তকারী অবদান রাখবে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর