বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে সংসদে উত্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান Salman Khan Hints Karan Johar Was Scared Of Him During His 2008 Fight With Shah Rukh Khan | Bollywood News ‘Got to look at luggage weight’: Shai Hope jokes after winning third Player of the Match award during this India tour | Cricket News ‎স্ক্যামারের ভিডিও ধারন করায় সাংবাদিকের  বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা,কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে ভূঞাপুরে মানববন্ধন কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ ড. ইউনূসকে হেনস্তায় বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‘কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ট্যাবুমুক্ত করতে হবে’ লক্ষ্মীপুরে লাইসেন্সবিহীন শিশু খাদ্য জব্দ, বেকারির ক্ষতিকর কেমিক্যাল ধ্বংস হারানো বা চুরি হওয়া ফোন খুঁজে পাওয়ার উপায় বাঁশখালীতে নিট যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে EARN প্রকল্পের উদ্যোগ

বাংলাদেশের প্রতি অঙ্গীকার বিন্দুমাত্র টলবে না: চীনা রাষ্ট্রদূত

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৯৮ সময় দেখুন
বাংলাদেশের প্রতি অঙ্গীকার বিন্দুমাত্র টলবে না: চীনা রাষ্ট্রদূত


ঢাকা: বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আগামী ‘সোনালী ৫০ বছরের’ জন্য এক সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জোর দিয়ে বলেছেন যে, বিশ্ব পরিস্থিতি যতই পরিবর্তিত হোক না কেন, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের সামগ্রিক দিকের প্রতি চীনের অঙ্গীকার বিন্দুমাত্র টলবে না। চীন সর্বদা বাংলাদেশের জন্য এক বিশ্বস্ত ভালো বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী ও ভালো অংশীদার হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, তবে জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের জন্য ‘রাজনৈতিক ঐক্য ও সামাজিক স্থায়িত্ব’ বজায় রাখা প্রয়োজন। এছাড়া একক শিল্পকেন্দ্রিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা এবং আরও অনুকূল একটি বৈশ্বিক পরিবেশ তৈরি করার মতো চ্যালেঞ্জগুলো বাংলাদেশের শাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

সোমবার (০৩ আগস্ট) একটি যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখাকালে চীনের রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) তাদের অডিটরিয়ামে “২০২৬ তুলনামূলক শাসন বিষয়ক ফোরাম” শীর্ষক এ যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনগণকেন্দ্রিক, বাস্তবমুখী এবং দক্ষ শাসনশৈলী জাতীয় শাসন পরিচালনায় এক নতুন রূপ এনে দিয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন সরকার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে উন্নয়নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উভয় দেশ-ই উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা এগিয়ে নিতে এবং দুই দেশের উন্নয়ন কৌশলগুলোকে আরও সুবিন্যস্ত করতে একমত হয়েছে। তিস্তা নদীর সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা, মংলা বন্দর সুবিধার আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমঝোতা অর্জিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনে সরকারি সফর করেন।

ওই সফরে দুই দেশের নেতারা নতুন যুগে এক যৌথ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায় যৌথভাবে গড়ে তুলতে তাদের সর্বাত্মক কৌশলগত সমবায় অংশীদারিত্বকে আরও উচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করতে সম্মত হন। এর পাশাপাশি তারা শাসন পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময়ে জোর দেওয়ার বিষয়েও একমত হন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও বলেন, সফরটি পুরোপুরি সফল ছিল এবং তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে রয়েছে। নতুন যুগে চীন-বাংলাদেশ যৌথ ভবিষ্যতের সম্প্রদায় গড়ে তোলার অর্থ হলো আমাদের সম্পর্ক বর্তমান সহযোগিতার কাঠামো অতিক্রম করে পারস্পরিক বিশ্বাস, যৌথ স্বার্থ ও সংহতির ভিত্তিতে একটি নতুন কৌশলগত উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে।

প্রশিক্ষণ কোর্সের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বাস্তবিক সহযোগিতা সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্য দিয়ে ক্রমান্বয়ে আরও বিস্তৃত এবং উচ্চতর পর্যায়ে রূপ নিচ্ছে। নতুন যুগে এক যৌথ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায় গঠনের ক্ষেত্রে শাসন সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। শাসন সংক্রান্ত এই অভিজ্ঞতা বিনিময়ই হলো বাংলাদেশ ও চীনের হৃদয়ের বন্ধনকে যুক্ত করার একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ফোরামের সময় প্রতিটি অংশগ্রহণকারী গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে জ্ঞান অর্জন করবেন—অর্থাৎ, চীনা আধুনিকায়নের পেছনের যুক্তিগুলোকে গভীরভাবে অনুধাবন করবেন এবং বাংলাদেশের নিজস্ব পরিস্থিতির নিরিখে দেশের উপযোগী একটি উন্নয়নের পথ অনুসন্ধান করবেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও বলেন, “এমনভাবে শিখুন যেন তা বাস্তবে কাজে আসে—জাতীয় শাসন পরিচালনা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং ডিজিটাল শাসনের মতো ক্ষেত্রগুলোতে নীতিগত কৌশল ও ব্যবহারিক পদ্ধতিগুলো গ্রহণ করুন, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “নিজের অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তবে রূপ দিন—বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা ও সক্ষমতাকে আধুনিকীকরণ করতে যা শিখেছেন তা কার্যকর পদক্ষেপে পরিণত করুন এবং বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের নতুন রূপকার হয়ে উঠুন।” একই সঙ্গে তিনি তুলনামূলক শাসন সংক্রান্ত এই ফোরামের সম্পূর্ণ সাফল্য কামনা করেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর