শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন

Lightning Farmer Died: রোজগারের আশায় মাঠে কাজ করছিলেন কৃষক, আচমকা বজ্রপাত…! তারপর যা ঘটল, শোকে পাথর পরিবার | west medinipur farmer died due to lightning while working on agriculture land

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১১৯ সময় দেখুন


Last Updated:

মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত এক, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দুই নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েতের লাহিরগঞ্জ এলাকার ঘটনা।

হাসপাতালে শোকে ভেঙে পড়েছে মৃত কৃষকের পরিবারহাসপাতালে শোকে ভেঙে পড়েছে মৃত কৃষকের পরিবার
হাসপাতালে শোকে ভেঙে পড়েছে মৃত কৃষকের পরিবার

পশ্চিম মেদিনীপুর: কথায় বলে মানুষের জীবনের এখন কোনও দাম নেই আর ঘটলও তাই। চলছে বর্ষাকাল, বৃষ্টিতে যেমন নাজেহাল মানুষজন। ঠিক তেমনই এইসময় বড় ভয়ের বিষয় হল বজ্রপাত। বিশেষ করে যাঁরা মাঠেঘাটে কাজ করেন, তাদের জন‍্য এই বর্ষাকাল মানেই প্রাণ হাতে করে কাজ করা। বৃষ্টিতে জল জমলে সঙ্গে সঙ্গেই নালা করে চাষের জমি থেকে সেই জলকে নামানোর চেষ্টা করতে হয় তাই বৃষ্টি মাথায় নিয়েই চাষের জমিতে তাদের কাজ করতেই হয়। আর এই কাজ করতে গিয়ে কত মানুষের প্রাণ চলে যায় বজ্রপাতে, প্রতিবছরই এমন মর্মান্তিক মৃত‍্যুর সাক্ষী থাকতে হয় গ্রামাঞ্চলে।

এদিন অবশ‍্য সকাল থেকে তেমন আবহাওয়া ছিল না বলেই মাঠে কাজে গেছিলেন। তবে হঠাৎ মেঘ কালো করে বৃষ্টি আর বজ্রপাতে ঘটে গেল সেই চেনা এক মর্মান্তিক ঘটনা। প্রতিদিনের মত এদিনও গেছিলেন মাঠে কাজ করতে। কে জানত এই কর্মক্ষেত্রই হয়ে উঠবে তার শেষ পরিণতি! মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু এক কৃষকের। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দুই নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েতের লাহিরগঞ্জ এলাকার ঘটনা। এলাকার বাসিন্দা লক্ষ্মীকান্ত পান বয়স ৪২ বছর।

সকাল নাগাদ মাঠে কাজ করছিলেন চাষের জমিতে। সেই সময় বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। আর আচমকায় বজ্রপাতের বলি হলেন তিনি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়, পশ্চিম মেদিনীপুরের লক্ষীকান্তের। জানাজানি হতেই নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেও চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই শোক সংবাদ আসতেই ভেঙে পড়েন পরিবার পরিজন প্রতিবেশী। শোকের ছায়া নেমে আসে গ্রামজুড়ে। জলজ‍্যান্ত মানুষের এমন আকস্মিক ঘটনা কেউই মেনে নিতে পারছেন না।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

প্রকৃতির সঙ্গে কেউই পারে না। কৃষকরাও পারে না তাদের হাতে ফলান ফসলের মায়া ত‍্যাগ করতে। বৃষ্টি হলেই যাতে তাদের ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে তাই বারবার ছুটে যান তারা। আর এই কারণেই বারবার অকালে প্রাণ চলে যায় বহু মানুষের। এদিনের ঘটনাও তারই প্রমাণ। তবে প্রকৃতির রোষ থেকে বাঁচতে অবশ‍্যই সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।

মিজানুর রহমান



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর