সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

অজান্তেই শেষ হচ্ছে ফোনের চার্জ?

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ সময় দেখুন
অজান্তেই শেষ হচ্ছে ফোনের চার্জ?


আমাদের দৈনন্দিন জীবন এখন পুরোপুরি স্মার্টফোন-নির্ভর। দিনভর নিরবচ্ছিন্ন সেবা পেতে আমরা চাই ফোনের চার্জ যেন দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকে। অথচ অনেক সময়ই দেখা যায়, নতুন কিংবা ভালো মানের ফোন হওয়া সত্ত্বেও দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে ব্যাটারি। এই সমস্যার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী আমাদেরই দৈনন্দিন কিছু ছোটখাটো ভুল অভ্যাস এবং ফোনের ভেতরের কিছু স্বয়ংক্রিয় সেটিংস।

বর্তমান স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে অসংখ্য আধুনিক ফিচার দেওয়া থাকে। তবে বাস্তব বিষয় হলো, এই ফিচারগুলোর সবকটি সবসময় আমাদের প্রয়োজন হয় না। অপ্রয়োজনীয় সত্ত্বেও কিছু সেটিংস যদি ব্যাকগ্রাউন্ডে সারাক্ষণ সক্রিয় থাকে, তবে তা ব্যাটারির আয়ু দ্রুত নিংড়ে নেয়। আপনিও যদি লক্ষ্য করেন যে আপনার প্রিয় ফোনটি আগের মতো চার্জ ধরে রাখতে পারছে না, তবে খুব বেশি দুশ্চিন্তা না করে ফোনের অভ্যন্তরীণ কয়েকটি সেটিংস পরীক্ষা করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

আসুন জেনে নেই, ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ দ্বিগুণ করার সহজ উপায়…

ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ অনবরত চালু রাখা

প্রয়োজন না থাকলেও ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ অন রেখে দিলে ফোন সারাক্ষণই আশপাশের নেটওয়ার্ক ও নতুন ডিভাইস খুঁজতে (Background Scanning) ব্যস্ত থাকে। ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা এই স্ক্যানিং অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রচুর চার্জ শোষণ করে। কাজ শেষে এগুলো দ্রুত বন্ধ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

কুইক শেয়ার ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় রাখা

স্যামসাং কিংবা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ‘কুইক শেয়ার’ (Quick Share) সুবিধাটি বড় ফাইল দ্রুত পাঠাতে দারুণ কাজ করে। তবে এটি সারাক্ষণ অন থাকলে ডিভাইসটি অনবরত ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ ব্যবহার করে আশপাশের সংযোগ খুঁজতে থাকে। ফলে ব্যাটারি দ্রুত শুকাতে থাকে। প্রয়োজন না থাকলে কুইক শেয়ারের দৃশ্যমানতা (Visibility) বন্ধ বা সীমিত করে রাখুন।

অপ্রয়োজনীয় হ্যাপটিক ফিডব্যাক ও ভাইব্রেশন

কিবোর্ডে টাইপ করার সময়, নম্বর ডায়াল বা ফোনের যেকোনো স্পর্শে যেসব সূক্ষ্ম কম্পন বা ‘হ্যাপটিক ফিডব্যাক’ অনুভূত হয়, সেগুলোর জন্য ফোনের অভ্যন্তরীণ একটি ছোট মোটর কাজ করে। অনবরত এই মোটর চলায় ব্যাটারিতে বড় প্রভাব পড়ে। চার্জ বাঁচাতে সাউন্ড অ্যান্ড ভাইব্রেশন সেটিংস থেকে এই হ্যাপটিক ফিডব্যাক বন্ধ করে দিন।

ব্যাকগ্রাউন্ডে অ্যাপ চালু রাখা (Background Data Sync)

ফোনের অনেক অ্যাপ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা রিফ্রেশ ও সিঙ্ক হতে থাকে। ব্যাটারি সেটিংসে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর ওপর ‘Restricted’ মোড চালু করুন এবং ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ব্যবহারের অনুমতি তুলে নিন।

জিপিএস বা লোকেশন ট্র্যাকিং সবসময় অন রাখা

ডিসপ্লের পর সবচেয়ে বেশি চার্জ টানে ফোনের জিপিএস (GPS) বা লোকেশন সার্ভিস। অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে ক্রমাগত আপনার অবস্থান ট্র্যাক করে। রাইড শেয়ারিং বা ম্যাপ ব্যবহার ছাড়া অন্য সময়ে লোকেশন ট্র্যাকিং বন্ধ রাখুন।

টিপস: এর পাশাপাশি স্ক্রিনের ব্রাইটনেস প্রয়োজন অনুযায়ী কমিয়ে রাখা, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইনস্টল করা এবং দরকারি সময়ে ‘পাওয়ার সেভিং মোড’ ব্যবহার করলে ফোনের ব্যাটারি পারফরম্যান্সে লক্ষণীয় পরিবর্তন হয়।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom