বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন

চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৮৯ সময় দেখুন
চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


ঢাকা: চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ ও সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যেন মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য যেন আর বিদেশমুখী হতে না হয়, তা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়নে সরকার নানা বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে জাতীয় সংসদের এলডি হলে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতের চিকিৎসকরা কেবল ওষুধ দেবেন না, বরং তারা রোগীদের খাদ্যাভ্যাস ও রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতন করে তুলবেন। বর্তমান সরকার ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতিতে বিশ্বাসী। এই লক্ষ্যে নতুন করে আরও এক লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যারা নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতন করবেন। তবে এসব কর্মীদের প্রশিক্ষণে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব প্রদানের আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের রাজনৈতিক সচেতনতা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কাজকে প্রভাবিত করে। তাই নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকা অযৌক্তিক নয়। তবে তিনি বলেন, অতিমাত্রায় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটায়। প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন সময়ের দাবি।

চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রস্তাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন করে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসকদের অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর মতো প্রস্তাবগুলো ইতিবাচক। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক ও রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবগুলোও সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এই বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও ই-হেলথ কার্ড চালু এবং প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নতির পাশাপাশি সেবার মানসিকতা না থাকলে সফলতা আসবে না। দায়িত্ব পালনে অনিচ্ছাকৃত অবহেলা বা শৈথিল্য যেন সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে, সে ব্যাপারে তিনি চিকিৎসকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ করেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর