শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিএমপির কোতোয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাইকৃত ১৫৭টি মোবাইল ফোন, ০৫টি ল্যাপটপ, নগদ টাকা, আইএমইআই (IMEI) পরিবর্তনের মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধারসহ সংঘবদ্ধ চক্রের ০৫ সদস্য গ্রেফতার সংস্কৃতি চর্চায় তরুণদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের ‘আমারে ওরা বাচতে দিলা না’, মায়ের কাছে শেষ বার্তা চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৮ শতাংশ বেড়েছে এখন পর্যন্ত নিহত ৩২, মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়ানোর আশঙ্কা Scotland vs Brazil Highlights, FT, 0-3: Vini Jr brace fires Brazil top of group and into knockout rounds দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সিএমপি কমিশনার মহোদয় এর বৃক্ষরোপণ অভিযান ছতুরার নূর: রূহানিয়তের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সরকার অনুমোদন ছাড়া মাছের খাদ্য উৎপাদন, কর্ণফুলীতে জরিমানা জবি ছাত্রদল আহ্বায়ককে মারধর ও চিকিৎসক লাঞ্ছনার পালটাপালটি অভিযোগ

নিয়োগে অনিয়ম-স্বজনপ্রীতির অভিযোগে চবিতে দুদকের অভিযান

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৬ সময় দেখুন
নিয়োগে অনিয়ম-স্বজনপ্রীতির অভিযোগে চবিতে দুদকের অভিযান


চট্টগ্রাম ব্যুরো: অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানের তদন্ত প্রতিবেদন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে একটি টিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযান চালায়। অভিযানে আরও ছিলেন- দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. হামেদ রেজা ও মো. সবুজ হোসেন।

বিকেলে অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে কিছু অভিযোগ উঠেছে। সেগুলো তদন্ত করতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করেছি। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের মেয়েকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আরেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিনের কথিত ভাগ্নেকেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, যদিও কামাল উদ্দিন উনার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।’

‘আমরা সংশ্লিষ্ট নথিপত্র নিয়েছি, সেগুলো পর্যালোচনা করব। তবে এখনো লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরপত্র আমাদের হাতে আসেনি। এসব নম্বরপত্র উপাচার্যের কাছে আছে। তিনি আজ (বুধবার) কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় এ মুহূর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া বৈধ না অবৈধ—তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।’

প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশ ছাড়া শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে সায়েদ আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে অভিযোগ ছিল যে প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশ ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নথিপত্র যাচাই করেও আমরা প্ল্যানিং কমিটির কোনো সুপারিশ পাইনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের কিছু আইনকানুন দেখিয়েছেন যে, প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশ ছাড়াও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। এ বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত নেব।’

‘বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ২৫০ জনকে নিয়োগ দিয়েছে। তবে এর মধ্যে সবাই নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত নন, অধিকাংশই স্থায়ী নিয়োগ। সর্বশেষ সিন্ডিকেটে ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগের অনুমোদন হয়েছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো নিয়োগের প্রমাণ আমরা এখনো পাইনি। সব নথিপত্র যাচাই শেষে আমরা কমিশনের কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করব। এ প্রতিবেদন আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ করা হবে। তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আগ্রহীরা এ প্রতিবেদন সংগ্রহ করতে পারবেন।’

সম্প্রতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় বিভিন্ন পদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৫৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতি এবং বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom