বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সিএমপি কমিশনার মহোদয় এর বৃক্ষরোপণ অভিযান ছতুরার নূর: রূহানিয়তের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সরকার অনুমোদন ছাড়া মাছের খাদ্য উৎপাদন, কর্ণফুলীতে জরিমানা কালিয়াকোরে বিশেষ অভিযানে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয় কালিয়াকৈরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কথিত নৈরাজ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও অস্থিতিশীলতার বি এন পির প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল শ্যামনগরে গবাদি প্রাণীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করতে ১৫ জন ভেটেরিনারি স্বেচ্ছাসেবককে ৫ দিনের প্রশিক্ষণ নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত। স্কুল ব্যাগে বিশেষ কৌশলে ৮ হাজার ইয়াবা পাচারের সময় ৩ রোহিঙ্গা মাদক কারবারি আটক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনর্নিয়োগ পেলেন এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ

সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামি আদালতে – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১
  • ৩৪৬ সময় দেখুন
সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামি আদালতে – Corporate Sangbad



চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামীকে আদালতে তোলা হয়েছে। রোববার (২৭ জুন) পৌনে ১১টার দিকে পুলিশ বহর করে তাদেরকে আদালতে আনা হয়। পরে জেলা ও দায়রা জজ মোঃ ইসমাইলের আদালতে তাদের নেয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ফরিদুল আলম এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, পুর্বের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শুনানীর জন্য সব আসামীদের আদালতে তোলা হয়েছে। আসামীদের পক্ষে লড়ার জন্য দেশের প্রখ্যাত আইনজীবি রানা দাশ গুপ্তের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে একটি আইনজীবী প্যানেল এসেছে। তারা শুনানীতে অংশ নিতে আদালত কক্ষে রয়েছেন। তারা গেল ৯ জুন নন্দ দুলাল ও ১০ জুন ওসি প্রদীপের আইনজীবিরা জামিন আবেদন করেন।

তবে দীর্ঘ ১০ মাসের বেশী সময় পলাতক থাকার পর বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈলের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন কস্টেবল সাগর দেব। আদালত তিনজন আসামীর আবেদন করা জামিন শুনানীর জন্য আজ ২৭ জুন নির্ধারণ করেন।

উল্লেখ্য যে, আলোচিত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম। ওই বছরের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে গাড়ী তল্লাশীকে কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাখেদ খান।

এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়েছে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামী করে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ নয় জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আদালত মামলাটির তদন্ত করার আদেশ দেন র‌্যাবকে।

এরপর গত ৬ আগস্ট প্রধান আসামী লিয়াকত আলী ও টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তীতে সিনহা হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার অভিযোগে পুলিশের দায়ের মামলার ৩ জন স্বাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টের দায়িত্বরত আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের ( এপিবিএন ) ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

এছাড়া একই অভিযোগে পরে গ্রেপ্তার করা হয় টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক সদস্য কনস্টেবল রুবেল শর্মাকেও। মামলায় গ্রেপ্তার ১৪ আসামীকে র‌্যাবের তদন্তকারি কর্মকর্তা বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এদের মধ্যে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া ১২ জন আসামী আদালতে ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সিনহা হত্যার মামলাটি বেআইনি ও অবৈধ দাবি করে ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রধান আসামি লিয়াকতের আইনজীবী মাসুদ সালাহ উদ্দিন একটি মামলা দায়ের করেন। ওই দিন আদালত মামলাটির পূর্ণাঙ্গ শুনানির জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। কিন্তু শুনানীর ওই নির্ধারিত দিনে সিনহা হত্যার মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস অসুস্থাতার কারণে আদালতে উপস্থিত থাকতে না পারায় পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য্য করেন ১০ নভেম্বর।

অন্যদিকে মামলাটি শুনানীর ওই নির্ধারিত দিনেও ( ১০ নভেম্বর ) সিনহা হত্যার মামলাটি বে-আইনি ও অবৈধ ঘোষণা চেয়ে আবেদনকারি পক্ষের আইনজীবী মাসুদ সালাহ উদ্দিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এতে মামলাটির পূর্ণাঙ্গ শুনানীর দিন আবারো পিছিয়ে যায়। ওই দিন ( ১০ নভেম্বর ) আদালত মামলাটির পূর্ণাঙ্গ শুনানীর জন্য ১৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য্য করেন। এ মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দুদকের একটি দুর্নীতি মামলায় চট্টগ্রাম আদালতে হাজির হতে হয়েছিল ওসি প্রদীপকে। সে সুবাধে তাকে ২০২০ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম কারাগারে প্রেরণ করা হয়। সেখানে দীর্ঘ ৭ মাস রাখার পর গেল ১০ জুন তাকে কক্সবাজার কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর