বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সিএমপি কমিশনার মহোদয় এর বৃক্ষরোপণ অভিযান ছতুরার নূর: রূহানিয়তের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সরকার অনুমোদন ছাড়া মাছের খাদ্য উৎপাদন, কর্ণফুলীতে জরিমানা কালিয়াকোরে বিশেষ অভিযানে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয় কালিয়াকৈরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কথিত নৈরাজ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও অস্থিতিশীলতার বি এন পির প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল শ্যামনগরে গবাদি প্রাণীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করতে ১৫ জন ভেটেরিনারি স্বেচ্ছাসেবককে ৫ দিনের প্রশিক্ষণ নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত। স্কুল ব্যাগে বিশেষ কৌশলে ৮ হাজার ইয়াবা পাচারের সময় ৩ রোহিঙ্গা মাদক কারবারি আটক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনর্নিয়োগ পেলেন এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ

স্যার বলেছিলেন ‘জীবনে তোর কিচ্ছু হবে না’, সেই ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় ১০ কোটি সম্পত্তির মালিক!

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৪০ সময় দেখুন
স্যার বলেছিলেন ‘জীবনে তোর কিচ্ছু হবে না’, সেই ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় ১০ কোটি সম্পত্তির মালিক!


স্যার বলেছিলেন ‘জীবনে তোর কিচ্ছু হবে না’, সেই ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় ১০ কোটি সম্পত্তির মালিক!

নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে পরিশ্রম এবং অধ্যাবসায় জোরে আসল সাফল্য আসে। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা লাঞ্ছনা ও গঞ্জনা সহ্য করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আজ শোনাবো এমন একজন মানুষের গল্প যাকে স্কুলের স্যার বলেছিলেন “তোর জীবনে কিছু হবে না”। সেই ছেলেই আজ বিদেশের মাটিতে ১০ কোটি টাকার মালিক। কিভাবে শত অপমান সহ্য করেও নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন ছেলেটি!

ছেলেবেলা থেকেই পড়াশোনায় খুবই অমনোযোগী ছিল। তার জন্য বাবা-মা রীতিমতো চিন্তায় ভেঙে পড়েছিলেন। মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় বাবা ছেলেটিকে বলেছিলেন “তোকে জীবনে দাঁড়াতেই হবে।”অনেক চেষ্টা করেও কিছুতেই পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে পারছিল না ছেলেটি।। পরীক্ষায় যে আসলেও সিলেবাস শেষ করতে পারেনি সে। অন্যান্য বন্ধুরা অনেক এগিয়ে গিয়েছিল। পরীক্ষা শেষে ফলাফলও আশানুরূপ হয়নি। তবু এক প্রকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাবা মায়ের কথা রাখতে সাইন্স নিয়ে ভর্তি হয় সে। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বি টেক পড়তে ভর্তি হয় সে। বাড়ির চাপে চাকরি ও করতে বাধ্য হয়। কিন্তু সেই চাকরিতে ছিল পরাধীনতা তাই চাকরি ছেড়ে দেয় ছেলেটি।

চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর বাড়ি থেকে এক প্রকার ব্রাত্য হয়ে যায় সে। বাবা মা ছেলের নাম করতেও লজ্জা পেতেন। এমতাবস্থায় জেদি ছেলেটি সিদ্ধান্ত নেয় জীবনে সত্যিই কিছু করে দেখাতে হবে। ওয়েব ডিজাইনিং এর প্রতি ছোটবেলা থেকেই ঝোঁক ছিল তার। কম্পিউটার ও সফটওয়্যার এর নানান বিষয়ে বেশ পারদর্শী ছিল। ওয়েব ডিজাইনিং এর কোর্স করে ছোট ছোট কাজ করতে থাকে। এক সময় জানতে পারেন অস্ট্রেলিয়া ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ দিচ্ছে। সেখানে একটি আইটি সেক্টরে কয়েকজন প্রতিভাময় ফ্রেসার ওয়েব ডিজাইনারের প্রয়োজন। ব্যাস কিছু পুঁজি জমিয়ে ভিসা তৈরি করে ফেলে ছেলেটি।


এরপর সোজা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে নিজের কাজ শুরু করে। কাজের প্রতি ধীরে ধীরে ভালোবাসা তৈরি হয়। সেই কাজ করে এক সময় সুখ্যাতি অর্জন করে ভারতের এই ছেলেটি। বাবা মা ছেলের কথা জানতে পেরে গর্বে বুক ভরে ওঠে। নিজের চেষ্টা ও অধ্যাবসায়ের জোরে আজ বিদেশের মাটিতে প্রায় ১০ কোটি টাকার মালিক একসময় লাঞ্ছনা সহ্য করে হেরে না যাওয়া ছেলেটি। আজ সে হাজারো মানুষের কাছে অনুপ্রেরণা।

 





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom