তবে এই গল্পের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নোয়াদা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুকুমার দাস বৈরাগ্য। তাঁর মতে, এটি নিছকই মজার কাহিনী, আসল ঘটনা নয়। তিনি জানান, তাঁর বয়স এখন ৭০ বছর। যখন তিনি প্রায় ১০ বছরের ছেলে, তখনই এই স্টেশন তৈরি হয়েছিল, অর্থাৎ প্রায় ১৯৬৫ সালের দিকে। তথ্য ও ছবি : বনোয়ারীলাল চৌধুরী