সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বকশীবাজার খানকাহ: পুরান ঢাকার সুফি ঐতিহ্যের জীবন্ত স্মারক আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ (রহঃ) মাজার জিয়ারতে দোয়ারাবাজারের নেতৃবৃন্দের সংক্ষিপ্ত সফর আনোয়ারায় লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ ভূঞাপুরে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষণকারী গ্রেফতার নাগরপুরে ফুয়েল কার্ড কার্যক্রম শুরু: কার্ড ছাড়া মিলবে না তেল জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ‘গোদের উপর বিষ ফোঁড়’ : বাংলাদেশ ন্যাপ যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধ ফের শুরু হতে পারে: ইরানের সতর্কবার্তা কুতুবদিয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন IPL 2026: ‘I was looking at a score around 220-230’ – Ruturaj Gaikwad rues CSK’s batting lapse in SRH loss | Cricket News ‘Personally Disappointed’: Hema Malini On Women’s Reservation Bill Failure, Makes Appeal To Public | Bollywood News

North 24 Parganas News: পানা তুলে সংসার চালাতেন মহিলা, দ্রুত গতির ট্রেনেই সবশেষ!

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
  • ৭৬ সময় দেখুন


Last Updated:

 কাজ শেষ করে যখন তিনি বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রেললাইন পার হচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎই একটি দ্রুতগতির মালবাহী ট্রেন চলে আসে। কোনওভাবে তিনি রেললাইন থেকে সরে উঠতে পারেননি এবং ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।

হাড়োয়া থানাহাড়োয়া থানা
হাড়োয়া থানা

জুলফিকার মোল্যা, উত্তর ২৪ পরগণা: ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল কুলটির এক মহিলা শ্রমিকের, শোকের ছায়া পরিবার ও এলাকায়। হাড়োয়া থানার অন্তর্গত কুলটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক প্রান্তিক পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ওই এলাকার বাসিন্দা ৫৫ বছরের অপূরা শিকারি। জানা গিয়েছে, তিনি প্রতিদিনের মতোই কাজের উদ্দেশ্যে সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। পেশাগত কারণে কলকাতা-সহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় তিনি জলাশয়ে পানা তোলার কাজ করতেন।

ঘটনার দিন তিনি পৌঁছেছিলেন বেলঘড়িয়া রেল স্টেশনের পাশে এক জলাশয়ে। সেখানে তিনি পানা তোলার কাজ করছিলেন। কাজ শেষ করে যখন তিনি বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রেললাইন পার হচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎই একটি দ্রুতগতির মালবাহী ট্রেন চলে আসে। কোনওভাবে তিনি রেললাইন থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। অপূরা শিকারির মৃত্যুতে পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি ছিলেন পরিবারে রোজগারের অন্যতম ভরসা। তাঁর স্বামী অনেক আগেই মারা গিয়েছেন।

প্রতিদিন ভোরবেলা তিনি বেরিয়ে পড়তেন, কখনও কলকাতা, কখনও হাওড়া, কখনও বা উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন প্রান্তে, শুধুমাত্র পানা তোলার কাজ করে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিতেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অপূরা ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও শান্ত স্বভাবের মহিলা। তাঁর মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, অপূরার মতো একজন পরিশ্রমী মহিলার এমন করুণ পরিণতি সমাজের জন্য এক বড় প্রশ্ন। অভাবের তাড়নায় একজন বয়স্ক মহিলাকে প্রতিদিন ট্রেনে-বাসে ঘুরে এভাবে জীবিকার সন্ধানে বেরোতে হয়, অথচ ন্যূনতম নিরাপত্তা বা সরকারি সহায়তা মেলে না।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom