চাটগাঁ শরীফ — ইসলামেরই পুণ্য প্রবেশদ্বার,
নববী বংশের ধূলিতে ধন্য ললাট যেথাকার।
দেয়াঙ পাহাড়ে সাহাবীগণের ঈদের সে জামাত,
আরব হতে আসে হিজরতের পথে নববী সওগাত।
সে নূর ছুটিল নিভৃত গাঁয়ের গারাংগিয়া পানে,
সাতকানিয়া জাগি উঠিল তখন ইলমের কলতানে।
বিচ্ছুরিত হলো দুই নূরানি ইলমের জ্যোতিধারা,
দুই মহাপ্রাণে শরীয়ত-মারেফতে জগৎ মাতোয়ারা।
মুহাদ্দিস দুই ভাই — মুফাসসির ও ফকিহ,
তাঁদেরই গুণে আলোকিত ধরা সুবাসিত সপ্রতিভ।
সে নূরের ঘ্রাণ পৌঁছাল তখন আজমগড়ীর দ্বারে,
মারেফতি তরী ভিড়িল এসে এক জাহাজের ধারে।
পীরে কামেল হাফেজ মাওলানা হামেদ হাসান নাম,
দুই ভাই তাঁর চরণে সঁপিয়া দিলেন মনষ্কাম।
ইলম ও আমলে আদায় করিয়া খিলাফত-নাজাত,
হিদায়াতি কাজে বিলিয়ে দিলেন পবিত্র দুই হাত।
বড় হুজুর — আবদুল মজিদ, রাহনুমায়ে শরীয়ত,
ছোট হুজুর — আবদুর রশিদ, দয়ালু হাকিকত।
জিন ও ইনসান যাঁদের পরশে পেল হকের আলো,
তরিকতের পথে আধ্যাত্মিক মশাল জ্বলিল ভালো।
সে বাগানেরই এক সুবাসিত নূরের প্রোজ্জ্বল নাম —
বিশ্ব প্রফেসর আমার রাহবার ডক্টর নুরুল আলম।
মুর্শিদের প্রেমে কায়ছার উদ্দীন যাচে নূরের আশ,
তরিকতি সেই নূরানি কাফেলায় মিটুক প্রাণের তিয়াস।
‘মেহফিলে নূর’ ছড়িয়ে দিতেছে খিদমতের রওশনি,
মাশরিক হতে মাগরিব জুড়িয়া তাঁদেরই প্রতিধ্বনি।
শত মারহাবা, শত সালাম তাঁর রুহানি খেদমতে,
আকিদত মোর পেশ করিলাম মুর্শিদি পথে পথে।
— কবি: কায়ছার উদ্দীন আল-মালেকী