বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন

এলপিজি-অটোগ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৮৫ সময় দেখুন
এলপিজি-অটোগ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ


ঢাকা: বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি সরকারের জনস্বার্থবিরোধী এ সিদ্ধান্ত জনজীবন এবং শিল্প-কলকারখানার উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের দৈনন্দিন অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)। এটির মূল্যবৃদ্ধি জনগণের জীবনযাত্রায় গভীর প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জন্য জ্বালানির বাড়তি ব্যয় বহন করা খুবই কষ্টকর। সরকার জনগণের ক্রয়ক্ষমতার কথা চিন্তা না করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে-যা জনস্বার্থবিরোধী।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে জনজীবন ও ভারী-মাঝারি শিল্প কারখানায় উৎপাদন খরচ বাড়বে। এতে করে নিত্যপণ্যের দামও বেড়ে যেতে পারে, যা সরাসরি জনগণের জীবনকে প্রভাবিত করবে।’ এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে প্রয়োজনীয় আমদানি কিংবা উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর পদক্ষে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) প্রতি কেজিতে একসঙ্গে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা দাম বাড়ানো নজিরবিহীন। ফলে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা। তার মানে, ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৮৭ টাকা।’

এ ছাড়াও ভোক্তা পর্যায়ে বড় ব্যবধানে বাড়ানো হয়েছে অটোগ্যাসের দামও। চলতি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম ১৭ টাকা ৯৪ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এপ্রিল মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১৭ টাকা ৯৪ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত মার্চ মাসে ছিল ৬১ টাকা ৮৩ পয়সা।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোয় পরিবহণ খাতে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। এতে করে জনগণ ঘরে ও বাইরে উভয় ক্ষেত্রে বাড়তি খরচের কারণে আর্থিকভাবে চাপে পড়বেন।’ সরকারকে সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে এবং জনজীবনকে স্বস্থিদায়ক ও বাড়তি ব্যয়ের চাপমুক্ত রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান তিনি।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর