মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ১০৩ সময় দেখুন
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯


ভেনেজুয়েলায় গত সপ্তাহে আঘাত হানা শক্তিশালী দুই ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৭১৯ এ দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার কর্মকর্তারা নিহত মানুষদের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।

তারা বলেছেন, নিখোঁজ বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া কয়েক হাজার মানুষকে উদ্ধারে তৎপরতা চলছে। আর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে লোকজনকে জীবিত উদ্ধারের আশাও ক্ষীণ হয়ে আসছে।

কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, এখনও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ। তাদের খুঁজে বের করতে ভেনেজুয়েলার প্রায় ৩০ হাজার জরুরি সেবাকর্মী এবং ২ হাজার ৭০০ বিদেশি বিশেষজ্ঞ উদ্ধার অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।

ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের নেতা জর্জ রদ্রিগেজ সোমবার (২৯ জুন) রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, পরপর ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে আহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৩৪ এ পৌঁছেছে। এ ছাড়া ১৫ হাজার ৮৬৬ জন মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।

ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি হারানো মানুষেরা তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন। ছবি এপি।

ভেনেজুয়েলা কর্তৃপক্ষ ৩০টি দেশের কাছ থেকে সহায়তা পাওয়ার কথা জানিয়েছে। কতজন মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা, তা স্পষ্ট নয়। নিখোঁজদের সন্ধানে খোলা ওয়েবসাইটগুলোর তথ্যমতে, প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

সোমবার উদ্ধার তৎপরতা চলার মধ্যে ভেনেজুয়েলায় আরেকটি আফটারশক অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলেছে, ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) গভীরতায় ৪ দশমিক ৬ মাত্রার এ পরাঘাতের উৎপত্তিস্থল ছিল ভেনেজুয়েলার ক্যারিবীয় উপকূলে অবস্থিত কারাবালেদা শহরের উত্তরে।

রদ্রিগেজ বলেন, নতুন এ কম্পনের কারণে অতিরিক্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া যায়নি।

উদ্ধার অভিযানের পঞ্চম দিনে সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রায় ২০০টি ভবন পুরোপুরি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে এবং আরও কয়েকশ ভবন ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সিএনএন এর খবরে বলা হয়েছে, নাসার গবেষকরা বলেছেন, মধ্য ও উত্তর ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে প্রায় ৫৮,৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। স্যাটেলাইট রাডার তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি প্রতিবেদন অনুসারে তারা এ কথা বলেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হতাহতদের সংখ্যা এত বেশি হওয়ার পেছনে সম্ভবত কয়েক দশকের অবহেলা, ভবন নির্মাণ বিধিমালা (বিল্ডিং কোড) প্রয়োগে শিথিলতা এবং সাবেক নেতা হুগো চাভেজ ও নিকোলাস মাদুরোর শাসনামলে লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রভাব রয়েছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom