বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংস্কৃতি চর্চায় তরুণদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের ‘আমারে ওরা বাচতে দিলা না’, মায়ের কাছে শেষ বার্তা চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৮ শতাংশ বেড়েছে এখন পর্যন্ত নিহত ৩২, মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়ানোর আশঙ্কা Scotland vs Brazil Highlights, FT, 0-3: Vini Jr brace fires Brazil top of group and into knockout rounds দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সিএমপি কমিশনার মহোদয় এর বৃক্ষরোপণ অভিযান ছতুরার নূর: রূহানিয়তের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সরকার অনুমোদন ছাড়া মাছের খাদ্য উৎপাদন, কর্ণফুলীতে জরিমানা জবি ছাত্রদল আহ্বায়ককে মারধর ও চিকিৎসক লাঞ্ছনার পালটাপালটি অভিযোগ কালিয়াকোরে বিশেষ অভিযানে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়

কথা বলে কার্জন, কথা বলো মন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ১৭ মে, ২০২১
  • ৩১৯ সময় দেখুন
কথা বলে কার্জন, কথা বলো মন


মনোজিৎ মিত্র, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর

মানুষ যতখানি বলে, তারও চেয়ে বেশি রাখে লুকায়ে মনে। সেই মনে মনে তারপর কত শত চিন্তা মেলে ডানা, কত হাজারও স্বপ্ন যায় হারায়ে। তারপর একদিন আমাদের আর কিছুই মনে থাকে না।

যেইসব ব্যথা-আনন্দ-বিভ্রমে আমাদের বেঁচে থাকা, সেগুলো এবার প্রকাশ্য হোক। প্রকাশ্য হোক চিন্তা, প্রকাশ্য হোক প্রতিবাদও। সহ্য করতে করতে মুখ বুজে বেঁচে থাকার চেষ্টার বিপরীতে এই দাঁড়ানোর আহ্বান, এক কোন থেকে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে তা— এমনই স্বপ্নে কথা বলার আয়োজন মূর্ত হয়েছে শতাব্দী প্রাচীন কার্জন হলের এক কোনে।

শিক্ষার্থীদের আড্ডা দেওয়ার একটা জায়গা ছিল, কার্জনের প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকতে হাতের ডান পাশের দেবদারু ছায়াতলে। ভেঙে দেওয়া হয়েছিল সেই বসবার ছোট্ট জায়গাটুকুও। সেই ধ্বংসস্তূপের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছে ফের আড্ডার স্থান। সেইখানে এবার জানানো হচ্ছে প্রাণ খুলে কথা বলবার আহ্বান। কার্জনের নানা কোনে পুরো শিক্ষাজীবন কাটানো কয়েকজন তরুণের উদ্যোগেই এই আয়োজন।

কথা বলে কার্জন, কথা বলো মন

উদ্যোক্তাদের একজন হাসান মেহেদী সিফাত। সাবেক ফলিত পদার্থবিজ্ঞান (বর্তমান ট্রিপলই) বিভাগ থেকে স্নাতক এবং বায়োমেডিকেল ফিজিক্স ও টেকনোলজি থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন তিনি। কার্জনের এই শিক্ষার্থী তার উদ্যোগের বিষয়ে জানাচ্ছেন, ভেঙে দেওয়া বেঞ্চটা শুধু একটা বসার জায়গা তৈরির জন্য তারা বানাননি।

সিফাতের ভাষায়, “এই বেঞ্চটা আমরা একটা দর্শন বা ফিলোসফি যাই বলেন না কেন, সেটা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বানিয়েছি। আমরা যেই দর্শনটা বা ফিলোসফিটা ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছি সেটা হলো— ‘আমরা মনে করি সব সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব, LET’S TALK।’ আর এই আলোচনাটা হতে হবে সব মুখোশ খুলে। চলুন আমরা রাখঢাক না রেখে, বিতর্ক না করে আলোচনা করি, কথা বলি।”

প্রাণ খুলে কথা বললে যে কত শত সমস্যার শুরুই হয় না, সেটাও এখন জানতে পারছেন তারা। উদ্যোক্তাদের আরেকজন ট্রিপলই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন আজিম। নিজের ফেসবুকে প্রতিদিন লিখে যাচ্ছেন তার প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা। বলে যাচ্ছেন প্রাণ খুলে কথা বলার ফলে কত হাজারও সমস্যার মুহূর্তেই সমাধান মেলে।

কথা বলে কার্জন, কথা বলো মন

সিফাত-আজিমদের বন্ধুরাও তাই সবাইকে জানাচ্ছেন আহ্বান কথা বলার। সবখানে, সব মুহূর্তে। ফেসবুকে বা মুখোমুখি— সবখানেই তারা সরব। আর মুখোশ খুলে কথা বলার আহ্বান নিয়েই কার্জনে দৃশ্যত বেঞ্চ পেতেছেন, যার ভেতরে পেতেছেন প্রাণ, অন্য প্রাণে মেলাতে।

সবােই মিলে কথা বলতে চাওয়া, কথা বলা— এটাকে আন্দোলনে পরিণত করতে চান সিফাত-আজিমরা। তাদের এই ভাবনার সঙ্গে থাকতে, এই দর্শনটাকে আরও ছড়িয়ে দিতে তাই আহ্বান জানিয়েছেন কার্জনে হাজির হতে। যারা পারবেন না, তারা না হয় ফেসবুকেই লিখুন— এমন আহ্বান তাদের। আর তার সঙ্গে #Lets_Talk হ্যাশট্যাগটা দেওয়ারও আহ্বান।

সারাবাংলা/এমও





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom