বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন

জুঁইদন্ডী-খুরুস্কুল আখতারুজ্জামান বাবুসড়কের বেহাল দশা:সংস্কার নেই এক যুগ ধরে

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ৩৪৭ সময় দেখুন
জুঁইদন্ডী-খুরুস্কুল আখতারুজ্জামান বাবুসড়কের বেহাল দশা:সংস্কার নেই এক যুগ ধরে

মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন, আনোয়ারা প্রতিনিধি

আনোয়ারায় জুইঁদন্ডী – খুরুস্কুল আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুসড়ক বিলীন হওয়ার পথে। দীর্ঘ এক যুগ ধরে সড়কটিতে এক মুঠো মাটিও পড়েনি। ফলে সড়কটি এখন ক্ষয় হতে হতে জমির সাথে একাকার হয়ে যাচ্ছে। এতে এই এলাকার তিন শতাধিক পরিবার পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। বর্ষাকালে তাদেরকে হাটু পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কাদা-পানি মাড়িয়ে খুরুস্কুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্থানীয় মাদ্রাসায় আসাযাওয়া করেন। সড়কটি দ্রæত সংস্কারের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিন দেখা যায়, জুঁইদন্ডী দর্জিপুকুর থেকে খুরুস্কুল সেন্টার পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়কটি ২০০০ সালে একবার মাটি ভরাটের কাজ করেন এনজিও সংস্থা কারিতাস। সে থেকে আজ পর্যন্ত সড়কটিতে আর কোনো মাটি পড়েনি। ফলে সড়কটি এখন জমিনের সাথে মিশে গিয়ে নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে খালে পরিণত হয়েছে। আবার কোথাও হাটু সমান কাদা। এর ফলে এই এলাকার তিন শতাধিক পরিবারের অনেক দুর ঘুরে মূল সড়কে উঠতে হয়। এ সড়ক দিয়ে জুঁইদন্ডী ,খুরুস্কুল , সরেঙ্গাসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষ বটতলী বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজার ও উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন। এছাড়া সড়কটি এই এলাকার ব্যবসা-বানিজ্য,কৃষিকাজের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সড়কটির প্রতি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ কারো নজর নেই। ফলে এক যুগেও সড়কটির সংস্কার কাজ সম্ভব হয়ে উঠেনি। ফলে এলাকার লোকজনের ভোগান্তি পিছু ছাড়ছেনা।

স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এই আখতারুজ্জামান চৌধুরী সড়ক অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি বিলীন হওয়ার পথে। শত শত মানুষ এখন বিকল্প সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। এতে সময়ও বেশি লাগে। কষ্টও বেশি। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন অনেক কষ্টে স্কুল -মাদ্রাসায় যাতায়াত করেন।

স্থানীয় চেয়ারম্যান মোরশেদুর রহমান খোকা বলেন, এখানে আমার কোনো দায়বদ্ধতা নেই। আমি তো সড়কটির কথা জানিনা। স্থানীয় লোকেরা আমাকে কখনো জানায়নি। আমি কাজ করব কীভাবে । এখন এটা নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। ৫ কোটি টাকার বেড়িবাঁধ নির্মাণে অনিয়ম হওয়ার কারণে সেখান দিয়ে পানি ঢুকে সড়কগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এটা কেউ দেখেনা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জামিরুল ইসলাম বলেন, এই সড়কটির নাম আমি কখনো শুনিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম। স্থানীয় চেয়ারম্যান বা সদস্যরা প্রস্তাব পাঠালে আমরা সেটা অনুমোদন করে থাকি। আগামীতে বরাদ্ধ আসলে সড়কটিতে সংস্কারের কাজ করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom