1/ 6
প্রত্যেক ভারতীয় বাড়িতেই দইয়ের ব্যবহার নানা খাবারের সঙ্গেই হয়ে থাকে। গরমের দিনে এমনিতেই বাটি ভরে দই খাওয়ার অভ্যের রয়েছে অনেকের। দই, লস্যি, রায়তা, দই বড়া, কার্ড রাইসের মতো নানা খাবারে দইয়ের ব্যবহার। রান্নাতেও অনেক সময়ই দই ব্যবহার করেন বাঙালিরা। দইতে থাকা ল্যাকটিস অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি-টু, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম স্বাস্থ্যের পক্ষে দারুণ উপকারী। পেটের জন্যও খুবই ভালো দই খাওয়ার অভ্যেস। তবে কিছু খাবার রয়েছে, যা দইয়ের সঙ্গে খেলে স্বাস্থ্যের উল্টে ক্ষতি হয়। জেনে নিন, সেগুলি কোন কোন খাবার।
2/ 6
পেঁয়াজ: অনেকেই রায়তা বানিয়ে কাঁচা পেঁয়াজ ব্যবহার করেন তাতে। কিন্তু এই অভ্যেস থাকলে এখনই তা বন্ধ করুন। দইয়ের প্রকৃতি ঠান্ডা, অন্যদিকে, পেঁয়াজ শরীর গরম করে। অনেক সময়ই এগুলি একসঙ্গে খেলে চর্মরোগ হতে পারে।
3/ 6
মাছ: দইয়ের সঙ্গে মাছ খাওয়া বন্ধ করতে হবে। দুটি খাবারেই অসম্ভব প্রোটিন। বিশেষজ্ঞদের মত, হাই প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। দুটি আমিষ প্রোটিন তো একসঙ্গে কখনওই খাওয়া উচিত নয়। সবজির সঙ্গে দই খেতে পারেন।
4/ 6
দুধ: দই ও দুই একই প্রজাতির। কিন্তু এই দুটি একসঙ্গে খেলে পেটের ক্ষতি হয়। অনেক সময়ই দেখা গিয়েছে ডায়েরিয়া, অ্যাসিডিটি, বমি বমি ভাব, গ্যাস হয় দই ও দুধ একসঙ্গে খেলে।
5/ 6
তৈলাক্ত খাবার: ঘি দিয়ে তৈরি কোনও জিনিস খেলে দই খাবেন না। অনেকেই ঘি দিয়ে তৈরি আলু পরোটার সঙ্গে ঘি খান। কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের উল্টে ক্ষতি করে। শরীর ছেড়ে দেওয়া এবং পেটের সমস্যা ডেকে আনে দই ও তৈলাক্ত খাবার একসঙ্গে খেলে।
6/ 6
আম: এখন ভরপুর আমের মরসুম। কিন্তু মনে রাখবেন আম শরীর গরম করে। তাই পেঁয়াজের মতোই আম ও দই একসঙ্গে খেলে শরীরে হিতে বিপরীত হয়। আম ও দুধ একসঙ্গে চলতে পারে, তবে দই নয়।