শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিএমপির কোতোয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাইকৃত ১৫৭টি মোবাইল ফোন, ০৫টি ল্যাপটপ, নগদ টাকা, আইএমইআই (IMEI) পরিবর্তনের মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধারসহ সংঘবদ্ধ চক্রের ০৫ সদস্য গ্রেফতার সংস্কৃতি চর্চায় তরুণদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের ‘আমারে ওরা বাচতে দিলা না’, মায়ের কাছে শেষ বার্তা চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৮ শতাংশ বেড়েছে এখন পর্যন্ত নিহত ৩২, মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়ানোর আশঙ্কা Scotland vs Brazil Highlights, FT, 0-3: Vini Jr brace fires Brazil top of group and into knockout rounds দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সিএমপি কমিশনার মহোদয় এর বৃক্ষরোপণ অভিযান ছতুরার নূর: রূহানিয়তের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সরকার অনুমোদন ছাড়া মাছের খাদ্য উৎপাদন, কর্ণফুলীতে জরিমানা জবি ছাত্রদল আহ্বায়ককে মারধর ও চিকিৎসক লাঞ্ছনার পালটাপালটি অভিযোগ

রাবির চিত্রকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতিকে সাময়িক অব্যাহতি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭২ সময় দেখুন
রাবির চিত্রকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতিকে সাময়িক অব্যাহতি


রাজশাহী: শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও বিভাগের শিক্ষকদের অনাস্থার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. বনি আদমকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে প্রশাসন। সেইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদের সই করা এক অফিস বিজ্ঞপ্তিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিভাগের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে অনাস্থা এবং তার নিজ আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি পূর্বাপর খতিয়ে দেখে সুপারিশ দেওয়ার লক্ষ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন অধ্যাপক ড. বনি আদমকে ১ মার্চ থেকে সভাপতির দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তের কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলীকে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. বনি আদম বলেন, ‘আমি আজ আদেশটি পেয়েছি। কোন কোন শিক্ষার্থীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমার জানা মতে, আমার শিক্ষার্থীরা কোনো অভিযোগ দেয়নি। সম্প্রতি নতুন শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভাগের শিক্ষকদের একটি অংশ অযৌক্তিকভাবে কয়েক দফায় অচলাবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিলেন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা সচল করা হয়। আজ পর্যন্ত বিভাগের সার্বিক কার্যক্রম সচল ছিল। যেহেতু প্রশাসন তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমি সেটিকে সাধুবাদ জানাই। আমিও চাই একটি সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে সত্য বেরিয়ে আসুক।’

উল্লেখ্য, চারুকলা অনুষদের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সাম্প্রতিক গুরুতর অনিয়ম ও নিম্নমানের প্রশ্নপত্র এবং বিষয়টির মৌলিক চরিত্রবিরোধী মূল্যায়ন কাঠামো অনুসরণের অভিযোগ তুলে ৫ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করেন বিভাগের শিক্ষার্থীদের একাংশ। এ সময় অধ্যাপক বনি আদমের শাস্তি দাবি করেন তারা।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom