আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দক্ষিণ কোরিয়ায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ হিসেবে প্রয়োগের পর ভ্যাকসিনটির সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষকে এ দুটি আলাদা কোম্পানির ভ্যাকসিন প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে প্রয়োগ করা হবে।
এর আগে স্পেনের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছিলে, প্রথম ডোজ হিসেবে যারা অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাদের শরীরে দ্বিতীয় ডোজ ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রয়োগ নিরাপদ ও কার্যকর।
ফলে কানাডা, স্পেনের মতো কিছু দেশে দুটি আলাদা কোম্পানির ভ্যাকসিন প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে প্রয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এবার ভ্যাকসিন সংকটে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াও।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় চলতি মাসের শেষ নাগাদ ৮ লাখ ৩৫ হাজার ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন পৌঁছার কথা ছিল। এসব ভ্যাকসিন প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার প্রথম ডোজ গ্রহীতার শরীরের প্রয়োগের পরিকল্পনা ছিল সিউলের। তবে ইতিমধ্যে ভ্যাকসিনগুলো দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছাতে দেরী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আগামী জুলাই বা এরও পরে এসব ভ্যাকসিন দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছাতে পারে বলে জানা গেছে। ফলে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন সংকটে দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে ফাইজারের ভ্যাকসিন ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটি।
ইতিমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া দুটি কোম্পানির ভ্যাকসিন একই ব্যক্তির শরীরের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে ব্যবহারে ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে। দেশটির অন্তত ১০০ স্বাস্থ্যকর্মীর উপর চালানো ট্রায়ালে দেখা গেছে দুটি কোম্পানির ভ্যাকসিন প্রয়োগ নিরাপদ ও তা যথেষ্ট অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সক্ষম। বৃহস্পতিবার এ ট্রায়ালের ফল প্রকাশ করে সিউল।
সারাবাংলা/আইই