শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সার্জিও গরের বাংলাদেশ সফর শেষ, সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার শিশুদের মাতৃদুগ্ধ নিশ্চিতে সারাবছর সচেতনতা কার্যক্রমের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর CWG 2026: India’s finest day in Glasgow yet! Six medals, 10 boxing finalists and 23-medal tally secured | Commonwealth Games News Top Ent News, July 31: Jana Nayagan Hit By Cauvery Protests In Karnataka, Ramayana Trailer Finds Fans In Pakistan | Bollywood News ভূঞাপুরে অবৈধভাবে চাল বিক্রির অভিযোগে চেয়ারম্যান-মেম্বার এর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ধর্মের আড়ালে নতুন ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে: সাকি কালিয়াকৈরে চন্দ্রা-টিকেটের নামে প্রকাশ্য ডাকাতি,দালালের রাজত্ব- ক্ষুব্ধ যাত্রীরা,দেখার মত কেউ নেই ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩ ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে খুবি শিক্ষক চাকরিচ্যুত

নারী আসনে আলোচনায় নাসের রহমানের স্ত্রী রোজিনা নাসের

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৭৯ সময় দেখুন
নারী আসনে আলোচনায় নাসের রহমানের স্ত্রী রোজিনা নাসের

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

সংরক্ষিত নারী আসনে মৌলভীবাজার–৩ আসনের এমপি নাসের রহমানের স্ত্রী রেজিনা নাসের এখন আলোচনায়। তিনি সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের পুত্রবধূ। ইতিপূর্বে ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি।

ওয়ান ইলেভেনের পর ২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট সদর ও মৌলভীবাজার-৩(সদর ও রাজনগর) আসনে নির্বাচন করেন মোঃ সাইফুর রহমান। সে সময় বিএনপি’র রাজনীতিতে অভিষেক হয় রেজিনার। এরপরই বিএনপির প্রার্থী শ্বশুরের পক্ষে নির্বাচনি মাঠে নেমে পড়েন। বাড়ি-বাড়ি ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে উঠান বৈঠকে যোগ দেন। নিয়মিত অংশ নেন নির্বাচনি সভা সমাবেশেও। ছিলেন নির্বাচনি এলাকার কো অর্ডিনেটরের দায়িত্বেও। স্বামী নাসের রহমান কারাগারে থাকলেও ভোটের মাঠে তার অভাব বুঝতে দেননি রেজিনা। নাসের রহমান তখন জেলে। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী শ্বশুরের নির্বাচনি প্রচারে পরিবারের পক্ষ থেকে একাই ছিলেন তিনি। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অবিরাম ছিলো তার নির্বাচনী কার্যক্রম।

২০১৮ সালে স্বামী নাসের রহমানের নির্বাচনী এলাকায় কাজ করেন রেজিনা। এ নির্বাচনে তৃণমূলে নারী ভোটের জাগরণ হয় তার মাধ্যমে। তিনি ও তার কন্যা আমিরা রহমান রাতদিন সমানতালে উঠান বৈঠক, নির্বাচনি সভা-সমাবেশ করেন। বিশেষ করে চা বাগানে নারী শ্রমিকদের নিয়ে উঠান বৈঠক ও নির্বাচনি সমাবেশ করেন। যার ফলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হন।

এবার সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হয়ে মৌলভীবাজার তথা বৃহত্তর সিলেটের নারীদের জাগরণের জন্য জাতীয় সংসদে বিশেষ ভূমিকা রাখতে চান রেজিনা। তিনি বলেন, শ্বশুর মোঃ সাইফুর রহমানের সুনাম কাজে লাগিয়ে সিলেট বিভাগের মতো কনজারভেটিভ এলাকায় বিএনপির মতো জনপ্রিয় সংগঠনে নারীদের জাগরণ ঘটিয়ে বিশাল দুর্গ গড়ে তুলে তারেক রহমানের হাতকে আরো শক্তিশালী করতে চাই। তিনি আশাবাদী দল যদি তাকে বিবেচনা করেন তাহলে সিলেট বিভাগে নারীদের মাঝে বিএনপি’র আদর্শ ও ৩১ দফার জাগরণ ঘটাতে সক্ষম হবেন।

সদর উপজেলার জগন্নাথ পুর গ্রামের উজ্জ্বল বলেন, ম্যাডাম রাজনীতি হিকি লাইছইন বাস্তব যেই টা। আমরার এবারকুর জাতীয় নির্বাচনো জান ধরি কাজ করছইন। বড় বড় মহিলা সমাবেশ করি মাঠ গরম করছইন। খালি ইবার নায় সাইফুর রহমান স্যারেরও নাসের রহমান স্যারের জন্য আরো দুইবার তিনি কাজ করছইন।

একাটুনা ইউনিয়নের আব্দুল করিম ইমানী বলেন, ‘ম্যাডামে যে পলিসিতে কথা জানাইন যে ভাষা ব্যবহার করইন মানুষের একেবারে জান গলি যায়।’

রাজনগরের মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, ইবার নাসের রহমান সাবের নির্বাচনি তৃণমূলে ওয়ার্কিংটা কে বেশি করছে ভোটটা কার ডাকে আইছে একমাত্র তান ফ্যামেলি এ পাস করাইছে। ই কথা কইয়া দলরে ছোট কররাম না। যা কইরাম সত্যি কথা। ইবার নারী ও হিন্দু যে ভোটারগুলা সেন্টারে আইছে ম্যাডামের কথায় ম্যাডামের মেয়ে ইঞ্জিনিয়ার আমিরা রহমানের কথায় সেন্টারে গেছে। ম্যাডাম এমপি অইতা আমরা চাই।

জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য মো. আবদুল মুকিত বলেন, রেজিনা নাসের একজন উচ্চশিক্ষিত কর্মীবান্ধব নেত্রী। সংরক্ষিত মহিলা আসনে তাকে দল যদি মনোনীত করে তাহলে ভালো হয়। তিনি আপাদামস্তক একজন কর্মীবান্ধব নেত্রী। বিগত সাইফুর রহমান স্যারের ইলেকশনসহ নাসের রহমান সাহেবের দুটি ইলেকশনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। বিশেষ করে হিন্দু মুসলিম চা বাগানের নারী-পুরুষ সকলের কাছে প্রিয় ও আস্থাভাজন হয়ে উঠেন।

প্রবীণ রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার দাশ বলেন, তিনি এ দলের লাগি যথেষ্ট পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আমিতো অবাক হয়েছি যারা আনাচে কানাচে নামার কথা না কোনোদিন যারা সোনার চামচ নিয়ে জন্মছেন এরা এই মানুষের কাছে পায়ে হেঁটে হেঁটে সমস্ত নির্বাচনি এলাকায় কষ্ট করেছেন আর মানুষের কাছে ছুটে গেছেন। এই আসনে বিএনপি বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার পেছনে তার যথেষ্ট অবদান আছে। যদি তাকে মহিলা আসনে এমপি মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে এলাকার মানুষ সহ দল উপকৃত হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom