রুপম চাকমা বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা ‘তারাবনিয়া’ এলাকাটি এখন পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। সবুজ পাহাড়, বিস্তীর্ণ ঘাসের মাঠ, আঁকাবাঁকা পথ আর মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে স্থানীয় ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এই স্থানটি পরিচিতি লাভ করেছে “নিউজিল্যান্ড” নামে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত পর্যটক ছুটে আসছেন এই নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
চারদিকের সবুজ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই তারাবনিয়া এলাকাটি যেন প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত সবুজ ঘাসের মাঠ আর বুক চিরে চলে যাওয়া আঁকাবাঁকা গ্রামীণ পথ প্রথম দর্শনেই যে কারও মন কেড়ে নেয়। নাগরিক কোলাহল থেকে দূরে শান্ত, স্নিগ্ধ ও মনোরম পরিবেশের কারণে দিন দিন এখানে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। বিশেষ করে বিকেল হলেই তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
চট্টগ্রাম থেকে আসা এক পর্যটক মো. আনোয়ার হোসেন জানান,
”আমরা সাজেক যাওয়ার পথে স্থানীয়দের মুখে এই জায়গার কথা শুনে দেখতে এলাম। সত্যি বলতে, নাম যেমন ‘নিউজিল্যান্ড’, এর সৌন্দর্যও ঠিক তেমনই চোখ জুড়ানো। এখানকার শান্ত পরিবেশ আমাদের মুগ্ধ করেছে, পাশাপাশি এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখনো একদম অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
স্থানীয় খুদ্র ব্যবসায়ী প্রিয়াংকা চাকমা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে ইদানীং এই তারাবনিয়া এলাকার সৌন্দর্য দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে খাগড়াছড়ি বা সাজেক ঘুরতে আসা পর্যটকদের একটি বড় অংশ এখন রুটিন করে এখানে ঢুঁ মারছেন। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এসারাও উপজেলার নকশী পল্লি, সেলপি, জুমঘরসহ ভ্রমন পিপাসুদের উপচ্চে পড়া ভির দেখা গেছে।