নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ফুডস ফ্যাক্টরিতে (সেজান জুসের কারখানা) অর্ধশতাধিক শ্রমিক নিহতের ঘটনায় চেয়ারম্যান-এমডিসহ ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (১০ জুলাই) হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ওই কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসেম (৭০), তার চার ছেলে হাসিব বিন হাসেম (৩৯), তারেক ইব্রাহিম (৩৫), তাওসীব ইব্রাহিম (৩৩), তানজীম ইব্রাহিম (২১) এবং শাহান শাহ আজাদ (৪৩), মামুনুর রশিদ (৫৩) ও মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (৩০)।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। নির্মাণ ত্রুটি ও শ্রমিক পরিচালনার ত্রুটি আছে কিনা এগুলো তদন্তের আগে কিছু বলা যাচ্ছে না। তদন্তের পর সব কিছু জানানো হবে।
তিনি আরো বলেন, এরইমধ্যে তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। কেউ যদি সামান্যতম এই ঘটনায় ভুলভ্রান্তি করে থাকে তাহলে আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করা হবে। কারখানার আগুনের ঘটনায় মামলা হবে। তদন্ত করে দোষীদের বিচার হবে। ইতিমধ্যে আটজনকে আটক করা হয়েছে। গাফিলতি বিন্দুমাত্র থাকলে কারো ছাড় নেই।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক ও মর্মান্তিক। যারা মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত করছি এবং আশা করছি যারা অসুস্থ তারা ফিরে আসবেন।
এদিকে ভবন মালিক নিখোঁজ থাকলেও আটজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টায় রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। সেই রাতেই মারা যান ৩ জন। শুক্রবার দুপুরে কারখানার ভেতর থেকে ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৫২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।