শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

[১] গণহত্যা স্বীকৃতির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডে প্রবাসীদের আন্তর্জাতিক সম্মেলন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৬ মার্চ, ২০২২
  • ২৫২ সময় দেখুন
[১] গণহত্যা স্বীকৃতির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডে প্রবাসীদের আন্তর্জাতিক সম্মেলন


[১] গণহত্যা স্বীকৃতির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডে প্রবাসীদের আন্তর্জাতিক সম্মেলন

মাছুম বিল্লাহ: [২] যুক্তরাষ্ট্রের লেমকিন ইনস্টিটিউট ও নেদারল্যান্ডের হেগের লিডেন ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে একাত্তরে বাংলাদেশে পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আহ্বান জানানো হয়েছে।

[৩] শনিবার প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে একই দাবিতে মানববন্ধন, চিত্রপ্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

[৪] যুক্তরাষ্ট্রে রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনরিটিজ নামের একটি সংগঠন একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজক ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক অ্যাডেল নাজারিয়ান এবং এতে লেমকিন ইনস্টিটিউট একটি বিবৃতি দেয়।

[৫] শুক্রবার নেদারল্যান্ডের হেগের লিডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টিতে ‘বাংলাদেশ: গণহত্যার পর বিচার’ শীর্ষ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, ‘গণহত্যার শিকার এবং তাদের বংশধরদের স্বীকৃতির মাধ্যমে সম্মান জানানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একান্ত প্রয়োজন। এ ধরনের অপরাধ সংঘটনের পর শান্তি ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্য অর্জনের বিষয়টি সে সময় ব্যাপকভাবে স্বীকার করা উচিত ছিল। বাংলাদেশ এখনও ক্ষমা চাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে এবং ১৯৭১ সালে কী ঘটেছিল তা স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য অন্যান্য দেশের দিকে তাকিয়ে আছে।’

[৬] এই সম্মেলনটি লিডেন ইউনিভার্সিটি ইউনিসেফ স্টুডেন্ট টিম দ্য হেগ অ্যান্ড সেসা (ইউনিসেফ) এর সহযোগিতায় ইউরোপ ভিত্তিক বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠন ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরাম (ইবিএফ) আয়োজন করে।

[৭] এতে বক্তব্য রাখেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত হোসেন হাক্কানি, ওয়াশিংটনের হাডসন ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক পরিচালক ড. উলফগ্যাং-পিটার জিঙ্গেল, জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া ইনস্টিটিউটের মাহজাবীন খালেদ, বার্লিন সোশ্যাল সায়েন্স সেন্টানের ড. টমাসো ভার্জিলি, জার্মানির পোস্টডক্টরাল রিসার্চ ফেলো এবং সুইস ইন্টার স্ট্র্যাটেজি গ্রুপের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর ক্রিস ব্ল্যাকবার্নসহ অন্যান্যরা।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর