বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘আমারে ওরা বাচতে দিলা না’, মায়ের কাছে শেষ বার্তা Scotland vs Brazil Highlights, FT, 0-3: Vini Jr brace fires Brazil top of group and into knockout rounds দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সিএমপি কমিশনার মহোদয় এর বৃক্ষরোপণ অভিযান ছতুরার নূর: রূহানিয়তের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সরকার অনুমোদন ছাড়া মাছের খাদ্য উৎপাদন, কর্ণফুলীতে জরিমানা জবি ছাত্রদল আহ্বায়ককে মারধর ও চিকিৎসক লাঞ্ছনার পালটাপালটি অভিযোগ কালিয়াকোরে বিশেষ অভিযানে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয় Samantha Ruth Prabhu Confirms Pregnancy, Says ‘I Have To Take Maternity Leave’ | Telugu Cinema News কালিয়াকৈরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কথিত নৈরাজ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও অস্থিতিশীলতার বি এন পির প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল শ্যামনগরে গবাদি প্রাণীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করতে ১৫ জন ভেটেরিনারি স্বেচ্ছাসেবককে ৫ দিনের প্রশিক্ষণ

ওজন ঝরাতে গিয়ে কমাতে হচ্ছে কার্বোহাইড্রেট! এটা ঠিক উপায়? শরীরের ক্ষতি করছেন কি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১০২ সময় দেখুন
ওজন ঝরাতে গিয়ে কমাতে হচ্ছে কার্বোহাইড্রেট! এটা ঠিক উপায়? শরীরের ক্ষতি করছেন কি


যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে মূলত খলনায়কের ভূমিকা পালন করে কার্বোহাইড্রেটই। তবে আবার শরীরের কার্যকারিতা সঠিক ভাবে বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন মতো কার্বোহাইড্রেটও ডায়েটে রাখতে হবে। আসলে ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমিয়ে দিলেই ওজন দ্রুত কমতে শুরু করে। তবে এটাও মাথায় রাখা জরুরি যে, অতিরিক্ত কোনও কিছুই ভাল নয়। যদি কেউ অতিরিক্ত ওজন কমানোর চেষ্টায় ডায়েট থেকে কার্বোহাইড্রেট একেবারেই বাদ দিয়ে দেন, তা-হলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে মারাত্মক। আর এটা স্বাস্থ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি ওজন হ্রাসের ক্ষেত্রে একেবারেই ঠিক নয়।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সাধারণ লো-কার্ব ডায়েট হল এমন একটি ডায়েট, যেখানে কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার পরিমাণ ৬০ থেকে ১৩০ গ্রামের মধ্যে সীমিত রাখতে হয়। আবার কিটোজেনিক ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ থাকে ৩০ গ্রামেরও কম। আবার কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমানোর জন্য কিছু নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে কিংবা সেটা খুবই স্বল্প পরিমাণে খেতে হবে। এর মধ্যে পড়বে শস্য, লেগিউম, ফল, মিষ্টি, পাস্তা এবং স্টার্চযুক্ত সবজি। এগুলোর পরিবর্তে ডায়েটে যোগ করা যেতে পারে মাংস, পোলট্রি, মাছ, ডিম, স্টার্চবিহীন সবজি, বাদাম এবং বীজ-জাতীয় খাবার।

আরও পড়ুন: শরীরে এই ৭টি লক্ষণ দেখা গেলেই মহিলারা সাবধান, হয়তো থাবা বসিয়েছে থাইরয়েড

আবার ডায়েটে বদল আনলে হয়তো তার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য খানিক সময় নেবে আমাদের শরীর। অর্থাৎ নতুন ডায়েট দীর্ঘ মেয়াদে শরীরের জন্য কাজ করবে কি করবে না, সেটা বুঝতে শরীরের বেশ খানিকটা সময় লাগে। তাই লো-কার্বোহাইড্রেট বা লো-কার্ব ডায়েট বা স্বল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেটযুক্ত ডায়েট নতুন করে অভ্যেস করার ক্ষেত্রে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, আলোচনা করে নেওয়া যাক সেই বিষয়টাই।

উত্তেজনা এবং মাথা ব্যথা:

লো-কার্ব নতুন ভাবে ডায়েট শুরু করার ক্ষেত্রে যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সবার আগে দেখা যায়, সেটা হল – মাথা ব্যথা। এটা হয় সাধারণত আমাদের মস্তিষ্ক গ্লুকোজের উপরেই থাকতে পছন্দ করে এবং এনার্জির জন্য কিটোনে যাওয়ার আগে গ্লুকোজের শেষ অংশটুকু বার্ন করতে শুরু করে।এনার্জির বিকল্প উৎসের উপরেই অনবরত লক্ষ্য স্থির করতে থাকে। ফলে লো-কার্ব ডায়েটে থাকা মানুষজন উত্তেজনা বোধ করতে পারেন এবং কোনও কিছুতে মনোনিবেশ করার ক্ষেত্রে তাদের সমস্যাও হতে পারে। আসলে সেরোটোনিন এবং ডোপামিনের মতো ভাল রাসায়নিক নিঃসরণ করে কার্বোহাইড্রেট। লো-কার্ব ডায়েটের কারণে তাই বিষণ্ণতা এবং উৎসাহের অভাব বোধ হতে পারে।

আরও পড়ুন: ফুলকপি খেলেই গ্যাসে পেট ফুলে ফেঁপে জয়ঢাক? জানুন এর কারণ ও সমস্যার সমাধান

দুর্বলতা এবং অবসাদ:

শরীর যাতে সুস্থ ভাবে চালিত হয়, তার জন্য আমাদের শরীর কার্বোহাইড্রেটকেই পছন্দ করে। ফলে সেই উৎস আচমকা কমে গেলেই এনার্জির অভাব হতে পারে এবং দুর্বল ভাব ও অবসাদ আসতে পারে। এটাই লো-কার্ব ডায়েটের প্রাথমিক পর্যায়। আসলে নতুন ডায়েটের সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময় লাগে। এ-বার কেউ যদি আবার আগের ডায়েটে ফিরে যেতে চান, সে-ক্ষেত্রেও কিন্তু প্রথম-প্রথম কয়েক দিন অবসন্ন ভাব আসতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য:

রোজকার ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমানোর ফলস্বরূপ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। উচ্চ পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট এবং শস্য এবং বিনস জাতীয় খাবারের মতো উচ্চ পরিমাণে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার না-খাওয়ার দরুন মলত্যাগে সমস্যা হতে পারে।

পেশিতে ক্র্যাম্প:

উচ্চ পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ গোটা শস্য হল নিউট্রিয়েন্টস এবং পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও সোডিয়ামের মতো মিনারেলের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আর আমাদের দেহের পেশিগুলির যাতে সঠিক কার্যকারিতা বজায় থাকে, তার জন্য এই উপাদানগুলি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ফলে এই ধরনের খাবার ডায়েট থেকে বাদ দিলে পেশিতে ক্র্যাম্প হতে পারে। তবে যদি বাদও দেওয়া হয়, এই সমস্যা এড়াতে তার বিকল্প উৎস ডায়েটে যোগ করা বাঞ্ছনীয়।

শ্বাস-প্রশ্বাসে দুর্গন্ধ এবং মুখে খারাপ স্বাদ:

যাঁরা লো-কার্ব ডায়েটের অভ্যেস গড়ে তুলেছেন, তাঁরা এই দুই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। আসলে মুখে খারাপ স্বাদ এবং মুখ কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসে দুর্গন্ধ হল লো-কার্ব ডায়েটের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েটে অভ্যস্ত হলে শরীর প্রয়োজনীয় গ্লাইকোজেন পায় না এবং তা কিটোনের দিকে চলে যায়। আর মূত্র এবং নিঃশ্বাসের মাধ্যমে কিটোন শরীর থেকে দূর হয়ে যাবে। আসলে কিটোন নিঃশ্বাসের মাধ্যমে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে মুখে ও শ্বাস-প্রশ্বাসে দুর্গন্ধ হয়।

অতএব, লো-কার্ব ডায়েট যদি মেনে চলতেই হয়, তাহলে নিউট্রিশিয়ানের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়ার দরকার আছে, একমাত্র তিনিই বলতে পারবেন যে ব্যক্তিভেদে কার্বের পরিমণ কতটা কমিয়ে আনলে ভাল হয়!

Published by:Teesta Barman

First published:

Tags: Carbohydrate, Weight Loss



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom