বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে : মির্জা ফখরুল ইরানের সঙ্গে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ আলোচনার দাবি ট্রাম্পের, যুক্তরাষ্ট্র সফরে নেতানিয়াহু Sarvesh Kushare scripts history, becomes first Indian to win silver in men’s high jump in Commonwealth Games | Commonwealth Games News চট্টগ্রামে এআই ব্যবহার করে নকল, এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার Top Ent News, July 27: Ram Kapoor Helped His Father Plan His Death; Delhi HC Orders Kala Hiran Teaser Removal | Bollywood News জুলাইয়ের সম্মিলিত চেতনা রাজনৈতিক ইতিহাসের মূল্যবান সম্পদ: রিজভী ভূঞাপুরে দেড় শতাধিক অবৈধ চায়না জাল জব্দ করে তা জন সম্মুখনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস ছাত্রকে মারধর করলো জুয়াড়ি ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪৬ জবির পরিবহন ব্যবস্থায় চালু হচ্ছে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম

কপ২৬-এ প্রধানমন্ত্রী নৈতিক কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ২১৩ সময় দেখুন
কপ২৬-এ প্রধানমন্ত্রী নৈতিক কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন


ইউনাইটেড নিউজ ২৪ ডেস্ক ::

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে, কপ২৬-এ নেতৃত্বের ভূমিকা পালনের সময় জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর নৈতিক কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন।

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) লন্ডন থেকে এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু ফোরামে নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়েছে…আমাদের প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) এর নৈতিক কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৪৮টি দেশের গ্রুপ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) নেতৃত্ব দিয়ে কপ২৬-এর ফলাফল প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে অন্যতম মধ্যস্থতাকারী হয়ে উঠেছেন।

বিবিসি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঁচজন চুক্তিকারকের অন্যতম হিসেবে অভিহিত করেছে এবং বলেছে যে শীর্ষ সম্মেলনের সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ভর করে এই পাঁচজন আলোচকের ওপর, যাদের ফলাফলের ওপর বড় প্রভাব রয়েছে।

ড. মোমেন বলেন, আমরা অনেক আশ্বাস পেয়েছি (জলবায়ু অর্থায়ন পাওয়ার বিষয়ে)… আমি কপ২৬ এর ফলাফল সম্পর্কে খুব আশাবাদী।

ইতোমধ্যে ৩৭টি দেশ বাংলাদেশের মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে তাদের জাতীয় পরিকল্পনা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের একটি অর্জন। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য প্রধানত দায়ী উন্নত দেশগুলো ইতিমধ্যে তহবিলের জন্য একটি লাইন-আপ তৈরি করেছে। বেসরকারি খাতের সহায়তায় এই তহবিল ট্রিলিয়ন ডলারও হতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৪৮-দেশের সিভিএফ নেতাদের সংলাপের পরে ঢাকা-গ্লাসগো ঘোষণা গৃহীত হয়েছে। কপ২৬ সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং সিভিএফ থিম্যাটিক অ্যাম্বাসেডর সায়মা ওয়াজেদ হোসেনও স্কটিশ শহরের কপ২৬ ভেন্যুতে ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম লিডারস ডায়ালগ: ফোরজিং এ সিভিএফ-কপ২৬ ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি প্যাক্ট’ শীর্ষক এ সংলাপে বক্তব্য রাখেন।

ড. মোমেন বলেন, ঢাকা-গ্লাসগো ঘোষণায় অভিযোজন ও প্রশমনে অর্থায়ন ৫০:৫০ অনুপাতে নিশ্চিতকরণ, কার্বন ট্রেডিংয়ের শেয়ার প্রাপ্তি, ক্ষয়-ক্ষতি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত করার জন্য ‘জলবায়ু জরুরি চুক্তি. এর মধ্যে গ্রহণের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সম্পর্কে ড. মোমেন বলেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, অন্যদের বাংলাদেশকে অনুসরণ করা উচিত।

মোমেন বলেন, বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রী আগামী বছর দু’দেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি কীভাবে উদযাপন করবে তা নিয়েও আলোচনা করেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও ব্রিটিশ যুবরাজ প্রিন্স অব ওয়ালেস প্রিন্স চার্লসের মধ্যকার বৈঠকে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাস্তবায়নের জন্য লোভনীয় প্রস্তাব দিয়েছে।

মোমেন বলেন, লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১ উদ্বোধন করেন, যেখানে তিনি যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের অনেক লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রার অংশীদার হতে আমন্ত্রণ জানান।

মোমেন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে অংশীদারত্বে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও বাংলাদেশে আসার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার লন্ডনের ক্লারিজ হোটেলে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে পাকিস্তনের তৎকালীন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন নথির আন্তর্জাতিক প্রকাশনারও উদ্বোধন করেন।

মোমেন বলেন, প্রকাশনাটি বাংলাদেশের রাজনীতি ও ইতিহাসের গবেষকদের জন্য একটি চমৎকার সম্পদ হবে। এর আগে ৩১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন ও অন্যান্য উচ্চপর্যায়েরর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে দুই সপ্তাহের সফরে গ্লাসগো পৌঁছেন।

৩ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে পৌঁছেন এবং ৯ নভেম্বর তিনি ব্রিটিশ রাজধানী থেকে প্যারিসের উদ্দেশে রওনা হবেন। প্রধানমন্ত্রী ১৩ নভেম্বর ঢাকার উদ্দেশ্যে প্যারিস ত্যাগ করবেন এবং ১৪ নভেম্বর এখানে পৌঁছবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom