শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের হাইকোর্টে জামিন – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২
  • ৫৫৭ সময় দেখুন
ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের হাইকোর্টে জামিন – Corporate Sangbad


নিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত ডেসটিনির গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের ছয় মাসের জামিন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সাজার বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য ৩ মাসের মধ্যে পেপারবুক প্রস্তুত করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ দুদকের আপিলের পক্ষে শুনানি করেন দুদকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, সাবেক সেনাপ্রধান, কোম্পানির প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশিদকে জামিন দেওয়ার বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনকে জানিয়েছি। তারা যে সিদ্ধান্ত দেন সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।

এর আগে, ২৯ জুন তার মেডিক্যাল রিপোর্ট চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। গত ৯ জুন তার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। তবে ওইদিন তাকে জামিন দেননি আদালত।

গত ১২ মে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

রায়ে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনকে ১২ বছরের কারাদণ্ড ও ২০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে চার বছরের কারাদণ্ড ও সাড়ে ৩ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সেখান থেকে আত্মসাৎ করা হয় ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। যার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েন সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে দুদক।

এরপর ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিনসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এর মধ্যে কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ট্রি-প্ল্যানটেশন মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। মোট আসামি ৬৫ জন হলেও রফিকুল আমিনসহ ১৪ জনের নাম দুই মামলায় থাকায় মোট আসামি ৫১ জন।

তাদের মধ্যে রফিকুল আমিন, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম গত ১০ বছর ধরে কারাগারে আছেন। জামিনে রয়েছেন হারুন-অর-রশিদ, জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। বাকি ৪৪ জন এখনও পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন- ডেসটিনির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, এসএম আহসানুল কবির।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর