মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪ স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের ফের উপবৃত্তি চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে শিক্ষার মান উন্নয়নে শ্রেণিকক্ষের পরিবেশসহ সার্বিক শিক্ষার মান পর্যবেক্ষণ করেন ইউএনও ‘Will She Wear It On Eid?’: Kriti Sanon Trolled For ‘Revealing’ Raksha Bandhan Ad Outfit, Hurting Hindu Sentiments | Bollywood News Watch: Max Verstappen’s horrific Dutch GP crash as Lando Norris wins chaotic race | Racing News যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চের কর্মসূচি ১১ দলের হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২২৮ চবিতে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর রাজশাহীতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

ঢাবিতে আইডিয়া কম্পিটিশন: নির্বাচিত ৪১ উদ্ভাবক পাবেন প্রশিক্ষণের সুযোগ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫৩ সময় দেখুন
ঢাবিতে আইডিয়া কম্পিটিশন: নির্বাচিত ৪১ উদ্ভাবক পাবেন প্রশিক্ষণের সুযোগ


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনোভেশন, ক্রিয়েটিভিটি অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ (আইস) সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত এন্ট্রেপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের ‘আইডিয়া কম্পিটিশন ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী কেন্দ্রের (টিএসসি) কারাস (CARASS) ভবনের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আগ্রহী ৫৭৭ জন উদ্ভাবক ও সমস্যা-সমাধানকারীর আবেদন জমা পড়ে।

এসব আবেদন থেকে প্রাথমিকভাবে ১১০ জনকে পিচিং পর্বের জন্য শর্টলিস্ট করা হয়। পরে ২২ ও ২৩ জুলাই অনুষ্ঠিত মূল্যায়ন শেষে ৪১ জনকে প্রথম ব্যাচের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

‘Capacity Building of Universities to Promote Youth Entrepreneurship’ প্রকল্পের আওতায় প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করা হয়। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) বাংলাদেশ-এর সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিই সেন্টার। এতে সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে কোইকা (কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম।

তিনি বলেন, ১৯৮০-এর দশকের শুরু থেকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের উন্নয়নে দক্ষিণ কোরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। একই ধারাবাহিকতায় এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উদ্যোক্তা উন্নয়নের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উদ্ভাবননির্ভর উদ্যোক্তা উন্নয়নে দক্ষিণ কোরিয়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে কোইকার অব্যাহত প্রতিশ্রুতির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাহমুদ ওসমান ইমাম।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোইকা বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর জুনসু কিম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক রতনা বিশ্বাস।

এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞ, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাহমুদ ওসমান ইমাম বলেন, ‘বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে উদ্ভাবননির্ভর উদ্যোক্তা সমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একটি শক্তিশালী উদ্যোক্তা সংস্কৃতি গড়ে উঠবে বলে আমরা আশা করি। একই সঙ্গে আইসিই সেন্টার দক্ষিণ এশিয়ায় উদ্যোক্তা উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও আমি আশাবাদী।’

আইস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক রাশেদুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা ৩১৮ ঘণ্টাব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এ সময় তারা উদ্যোক্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, নেটওয়ার্কিং এবং ব্যবসা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবেন। কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর তারা ৫৫ লাখ টাকার সিড ফান্ডের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন, যাতে নিজেদের উদ্ভাবনী ধারণাকে টেকসই ব্যবসায়িক উদ্যোগে রূপ দিতে পারেন।’

তিনি আরও জানান, প্রায় ৩ মাস পর এন্ট্রেপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের দ্বিতীয় ব্যাচের জন্য নতুন করে আবেদন গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে হ্যাকাথন, বুটক্যাম্প এবং বিভিন্ন বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, এ প্রকল্পের লক্ষ্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উদ্যোক্তা শিক্ষা জোরদার করা এবং শিক্ষার্থী ও স্নাতকদের মধ্যে উদ্ভাবনভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশ গড়ে তোলা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এ প্রকল্পের অংশীদার।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর