দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি ফরিদ আহমেদ:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সরকারী খাস জমিতে স্থাপনা নির্মানের চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি থেকে সদ্য বহিস্কৃত বিতর্কিত নেতা নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লার বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে হাবলু মোল্লা তার লোকজন নিয়ে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের বড়গাংদিয়া বাজারের পাশে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সের পাশে জেলা পরিষদের ওই জমি দখলের চেষ্টা করেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। এ সময় এলাকাবাসী বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বভাবিক করেন।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বড়গাংদিয়া বাজারের পাশে জেলা পরিষদের প্রায় ১৬ কাঠা খাস জমি রয়েছে। এ জমিতে এলাকাবাসী সম্বিলিত ভাবে বাজারের কাজে ব্যবহার করেন। দুরদুরান্ত থেকে ওই বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা ভ্যান-সাইকেলও রাখেন ওই জমিতে। ওই জমির মালিকানা দাবী করে দখলের উদ্দেশ্যে (বিল্ডিং করার জন্য) শুক্রবার সকালে ওই জমিতে সার্ভেয়ার নিয়ে যায় নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লার লোকজন। এ সময় বাজার কমিটির সভাপতি বাদশাসহ এলাকাবাসী বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। এ বিষয়ে নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।বড়গাংদিয়া বাজার কমিটির সভাপতি বাদশা আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের স্বার্থে জমিটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা ওই জমি দখল করে বিল্ডিং করার পায়তারা করছেন। বিল্ডিং নির্মান হলে এখানে আর বাজার বসার কোন জায়গা থাকবে না। তাই এলাকাবাসী বাধা দেয়া।দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, জেলা পরিষদের একটি জমিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়ে আমরা সেখানে গিয়ে পরিস্থিত স্বাভাবিক করি। জেলা পরিষদ ওই জমিটি ১৬ জনের নামে বরাদ্দ দিয়েছে বলে মৌখিক ভাবে শুনেছি। শুক্রবার সার্ভেয়ার দিয়ে ওই জমি মাপতে গেলে উত্তেজনা দেখা দেয়। বর্তমানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য গুহ্য বলেন, জমিটি জেলা পরিষদের। তবে কার কার নামে তা বর্দ্দা দেয়া হয়েছে তা নথি দেখে বলা যাবে। বরাদ্দ পেলেও ওই জমিতে এলাকার মানুসের স্বার্থ জড়িত রয়েছে কিনা সে বিষয়েও খোজখবর নেয়া হবে। এলাকার শান্তি শৃংখলা বিঘিœত না হয় সে মোতাবেক পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।