মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারী আসনে আলোচনায় নাসের রহমানের স্ত্রী রোজিনা নাসের নাগরপুরে এতিম শিশুদের সঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ইফতার মাহফিল প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে ঠাকুরগাঁওয়ে পালিত হয়েছে দুর্যোগ প্রস্তুুতি দিবস দৌলতপুরে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পর্যায়ে মূল্যায়ণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করুন নাগরপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত জাবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন স্থগিত চেয়ে উপাচার্যকে চিঠি মৌলভীবাজারে সেই নিশির বাড়িতে হাজি মুজিব XO, Kitty Season 3 Trailer: Lana Condor Returns As Lara Jean To Guide Her Sister | Watch | Web-series News রাজশাহীতে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

‘অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়’

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ২৭৮ সময় দেখুন
‘অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়’


ডেস্ক রিপোর্ট:: যুদ্ধকালীন গুপ্তচরবৃত্তি রোধে করা অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তা ছাড়া এ আইনটি সংবিধান এবং দুটি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও সাংবাদিকরা এ মন্তব্য করেছেন। তারা বলছেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলাটি ভুলে ভরা।

১০০ বছরের পুরনো অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনের করা মামলায় দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কেউ বিচারের মুখোমুখি। সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম গ্রেপ্তারের পর কী আছে এই আইনে, কেনইবা পুরনো আইনটি এতটা প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠল তা নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

আইনটি বিশ্লেষক করে বিশিষ্টজনরা বলছেন-যুদ্ধকালীন সময়ে গুপ্তচরবৃত্তি রোধে ব্রিটিশদের বানানো এ আইন শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, জনস্বার্থে যদি আপনি কোনো তথ্য প্রকাশ করেন আপনি সরকারি কর্মকর্তা ও যে কেউ হন আপনাকে প্রটেকশন ব্যবস্থা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া ফোজদারি দণ্ডবিধি ৫০১ ও ৫০২ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সাংবাদিক যদি অপরাধ করে থাকেন; তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হবে না। সমন জারি হবে।

অবসরপ্রাপ্ত একজন বিচারপতি বলছেন- আইনটি সংবিধানসহ অন্তত দুটি আইনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

অবসরপ্রাপ্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দিন মানিক বলেন, যে এজাহার আমি পত্রপত্রিকা দেখেছি। সেটা আইনের দৃষ্টিতে মোটেও টিকে না। মারাত্মক একটি ভুল করেছে, যার জন্য মামলা টিকবে না। সেটি হলো এ মামলায় এজাহার করতে এমন ব্যক্তিরা দ্বারা, যাকে রাষ্ট্র এজাহার করার ক্ষমতায় দিয়েছে।

তবে ভারত ও পাকিস্তানে এই আইনে যাদের সাজা হয়েছে তারা সবাই সরকারি কর্মকর্তা। ভারতের মন্ত্রিসভার গোপন নথি ফাঁসের অভিযোগে একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হলেও আদালতে তা টিকেনি। দিল্লি হাইকোর্ট বলেছেন, নথি ফাঁস হলে সেটা গোপন আখ্যা দিয়ে সাংবাদিককে দোষী করা যায় না।

 

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর