রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে যৌতুকের টাকার জন্য গৃহবধুকে হত্যার হুমকি কর্ণফুলীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার আরেক শিশু শেরপুরে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শওকতের নেতৃত্বে শুভেচ্ছা মিছিল অনুষ্ঠিত দৌলতপুরে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও বীজ উৎপাদনে বিপ্লব: স্বয়ংসম্পূর্ণতার লক্ষ্য নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের অভিযোগ; মামলা দায়ের সাপাহার সীমান্তে পুশইনে ব্যর্থ হয়ে ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ! শক্ত অবস্থানে বিজিবি সাপাহারে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে পথসভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত পুকুরে বিষ দিয়ে অর্ধকোটি টাকার মাছ নিধন জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে নোয়াখালীতে দোয়া মাহফিল

ইরানের ‘সবচেয়ে বড়’ যুদ্ধজাহাজটি ডুবে গেছে

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ৩৫৯ সময় দেখুন
ইরানের ‘সবচেয়ে বড়’ যুদ্ধজাহাজটি ডুবে গেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান নৌবাহিনীর বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজটি ডুবে গেছে। মঙ্গলবার (১ জুন) দিবাগত রাতে ওই জাহাজে আগুন লাগে। দমকলকর্মীদের টানা ২০ ঘণ্টা প্রচেষ্টার পরেও রক্ষা করা যায়নি জাহাজটি। বুধবার (২ জুন) জাহাজটি হরমুজ প্রণালীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ডুবে যায়।

বুধবার ইরানের তাসনিম নিউজ নামক সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করে। ইরানের সেনাসূত্রের বরাত দিয়ে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও খবরটি প্রকাশ করেছে। ঠিক কী কারণে জাহাজটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো তা এখনও জানা যায়নি।

তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়, খার্গ নামক জাহাজটির সর্বত্র আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেনাবাহিনীর দমকলকর্মীরা ২০ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় জাহাজটি ডুবে যায়।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ওই জাহাজের সকল ক্রু নিরাপদ রয়েছেন। ইরান সেনাবাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ওই জাহাজটি তখন এক প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল।

ইরানের রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে জাহাজটিতে আগুন লাগে। জাহাজটি তখন ইরানের সমুদ্রবন্দর জাস্কের পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছিল। এ অঞ্চলটি ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে অন্তত ৭৯০ মাইল দূরে এবং ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি।

ইরানের ‘সবচেয়ে বড়’ যুদ্ধজাহাজটি ডুবে গেছে

জানা গেছে খার্গ নামক ওই জাহাজটি ইরান নৌবাহিনীর বহরে সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ। এ যুদ্ধজাহাজটি সমুদ্রে নিজে লড়াই করার পাশাপাশি অন্যান্য যুদ্ধজাহাজকেও জ্বালানি, অস্ত্র বা অন্যান্য রশদ সরবরাহ করার ক্ষমতা রাখে। এ জাহাজটি ভারী পণ্য যেমন কার্গো বা একাধিক হেলিকপ্টার বহন করতে পারে। ইরানের যুদ্ধজাহাজের বহরে এরকম উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজের সংখ্যা হাতেগোনা। এ জাহাজটি ডুবে যাওয়ায় দেশটি সমুদ্রে আধিপত্য বিস্তারে কিছুটা পিছিয়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা গেছে এ যুদ্ধজাহাজটি ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনে তৈরি হয়েছিল। তবে ১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবের জাহাজটির ইরানে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। দুই পক্ষের দীর্ঘ দরকষাকষির পর ১৯৮৪ সালে খার্গ ইরান নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়।

খার্গের ডুবে যাওয়ায় সামরিক কৌশলগত দিক থেকে তেহরান কিছুটা চাপে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কেননা মাত্র একদিন আগে মঙ্গলবার ইরানের একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়ে। ওই যুদ্ধবিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ দুর্ঘটনা হয় বলে জানায় তেহরান।  

সারাবাংলা/আইই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom