মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন

পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ সময় দেখুন


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির পররাষ্ট্র দফতর এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (১০ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রকাশিত একটি তথ্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ সিদ্ধান্তের ফলে হাজার হাজার মানুষ তাদের ভ্রমণ ও অভিবাসনের বিশেষ সুবিধাও হারাতে চলেছে।

পররাষ্ট্র দফতর বিবৃতিতে বলেছে, এই ভিসা বাতিলের লক্ষ্য ছিল সেইসব বিদেশিরা, যারা তাদের ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেছে, অপরাধ করেছে, মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার আহ্বান জানিয়েছে, আমেরিকানদের সাথে প্রতারণা করেছে, আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার করেছে, অথবা জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করেছে।

দফতর জানিয়েছে, বেশিরভাগ ভিসাই ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মুখোমুখি হওয়ার’ পর বাতিল করা হয়েছে। যার প্রধান কারণগুলো হলো হামলা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ।

দফতর উল্লেখ করা নির্দিষ্ট মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে গুরুতর ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত একজন, অপহরণ ও মানব পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত আরেকজন এবং শিশু যৌন নির্যাতনের সামগ্রী রাখার এক ডজনেরও বেশি অভিযোগে অভিযুক্ত একজন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত একটি মার্কিন দূতাবাস ‘বার্থ ট্যুরিস্ট’ নামে পরিচিত ১০০ জনেরও বেশি দম্পতির ভিসা বাতিল করেছে। তারা মূলত সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন যাতে তাদের সন্তানরা মার্কিন নাগরিকত্ব পায়।

পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, রক্ষণশীল কর্মী চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ডকে ‘উদযাপন’ করা একাধিক বিদেশির ভিসাও বাতিল করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন বলেছিলেন যে কার্ক ‘অনেক দেরিতে মারা গেছেন’।

জানুয়ারিতে, বিভাগটি জানিয়েছিল যে তারা এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে, যা সেই সময়ে একটি রেকর্ড ছিল।

এই ভিসা বাতিলের ব্যাপকতা গত বছর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর শুরু হওয়া ব্যাপক অভিবাসন দমন অভিযানেরই প্রতিফলন। যার ফলে বৈধ ভিসাধারীসহ বহু অভিবাসীকে নির্বাসিত করা হয়।

প্রশাসন ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও একটি কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে, যার আওতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যাচাই-বাছাই আরও কঠোর করা হয়েছে এবং স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া প্রসারিত করা হয়েছে।

অধিকারকর্মী এবং মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্প প্রশাসনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের স্ক্রিনিং প্রচেষ্টার নিন্দা করেছেন। তাদের মতে, এটি বাকস্বাধীনতার জন্য হুমকি এবং অভিবাসীদের ওপর নজরদারি ও তাদের একঘরে করে ফেলার সমতুল্য।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom