বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাগরপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য ‘উসকানিমূলক’: হেফাজত From 26/4 to 145/4: Sameer Rizvi reveals what Tristan Stubbs told him during six-wicket victory | Cricket News গোদাগাড়ীতে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রয়ের অভিযোগে দৌলতপুরে দুই ব্যবসার  ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Priyadarshan ‘Won’t Stop’ Amid Hera Pheri 3 Delay, Says Writer Rohan Shankar: ‘Sir Works A Lot, Just Shot…’ | Exclusive | Bollywood News দৌলতপুরে মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষের প্রদর্শনী মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে চরাঞ্চলের কৃষিতে আসছে নতুন সম্ভাবনা চট্টগ্রামের আনোয়ারায়/ মাদ্রাসাছাত্রকে কিল-ঘুষি মেরে হাসপাতালে পাঠালো প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত শ্যামনগরের গাবুরাতে ছাগল পালনের উপর প্রশিক্ষণ দিয়েছে ফেইথ ইন এ্যাকশন

ভূঞাপুরে ৩ মাদকাসক্তকে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে এলাকায় তোলপাড়

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫০ সময় দেখুন
ভূঞাপুরে ৩ মাদকাসক্তকে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে এলাকায়  তোলপাড়

খায়রুল খন্দকার, টাঙ্গাইল :টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদক বিরোধী অভিযান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলে ৪ জন মাদকাসক্ত যুবককে মাদক সেবনের সময় হাতেনাতে আটক করলেও রহস্যজনকভাবে ৩ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়, আর মাত্র ১ জনকে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকালে উপজেলার রায়ের বাশালিয়া এলাকা থেকে ৪ জন মাদক সেবনকারীকে হাতে নাতে ধরেও ঘটনাস্থলে ৩জনকে ছেড়ে দিয়ে মো. রিপন শেখ নামের ১ জনকে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে একটি মাদক মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরন করে। ওসির এমন আচরনে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। 

জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার চরবামনহাটা এলাকায় এসআই শরীফ হায়দার আলী ও এএসআই অন্তর কুমার দাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় মাদক সেবন অবস্থায় চারজনকে আটক করেন। পরে তিনজনকে বিভিন্ন তদবিরে ছেড়ে দেয়া হলেও শুক্কুর আলীর ছেলে রিপন শেখকে ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার দেখিয়ে মামলা দেয়া হয়। পরে শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। 

এদিকে ৪ জনকে আটকের পর ৩ জনকে ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া এবং মামলায় উল্লেখ করা মাদকের পরিমান নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। থানা থেকে মাদক বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে চিত্রটা ভিন্ন দেখা যাচ্ছে। 

এদিকে মাদকসহ একজন আটক লিখে ভূঞাপুর থানার ফেসবুক পেইজে পোস্ট দেয়ার পর কড়া মন্তব্যের ঝড় উঠে। 

প্রশ্ন উঠছে, “হাতেনাতে ধরার পরও তিনজনকে ছেড়ে দেওয়ার কারণ কী?”“আইন কি সবার জন্য সমান নয়?”“কার নির্দেশে বা কিসের বিনিময়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বলেন, “মাদকনিয়ন্ত্রণে পুলিশের কঠোর ভূমিকাই আমাদের আশা। কিন্তু এমন ঘটনা মানুষের আস্থা কমিয়ে দেয়।”

অভিযোগের বিষয়ে এস আই শরীফ হায়দার আলী জানান, এক সঙ্গে তারা ৪ জন মাদক সেবনের প্রস্তুতি নিয়েছিল। সে সময় তাদের মধ্যে একজনের কাছে মাদক পাওয়া যায়। পরে যার কাছে মাদক পেয়েছি তাকে ধরে নিয়ে আসা হয় এবং তার নামেই মামলা হয়। বাকি তিন জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

ভূঞাপুর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফেসবুকে পোস্টকরার পর সাংবাদিক রশিদ শেখের মন্তব্য দেখারপর এস আই শরীফ কে জিজ্ঞেস করি।  তখন জানতে পারি বাকি তিন জনের কাছে মাদক পাওয়া যায়নি বিধায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, মাদকের সাথে কোন আপোষ নেই, কোন তদবির নেই। আমি কেমন কাজ করি সেটা টাঙ্গাইলের সব সাংবাদিকরা জানে।

সহকারী পুলিশ সুপার (কালিহাতী সার্কেল) টাঙ্গাইল মোঃ মুঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, একজনকে গাঁজা সহ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এ বিষয়ে অবগত আছি। তবে তিন জনকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে অবগত নই। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।  

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর