বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ডাকাতির প্রস্তুুত কালে পাঁচ ডাকাত আটক কালিয়াকৈরে ছিনতাই হওয়া প্রাইভেটকার উদ্ধার, সংঘবদ্ধ চক্রের ৩ জন সদস্য গ্রেপ্তার বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া ম্যাচকে ঘিরে সিএমপিতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সাজেকে পরিবেশ রক্ষা কমিটির জনসচেতন মূলক মাইকিং ৮১ দিনে হাম ও হামের উপসর্গে ৬০১ শিশুর মৃত্যু ড. খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপাচার্যের বৈঠক কালিয়াকৈর চারটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নির্মাণ কাজের ভিত্তি স্থাপন উদ্বোধন করেন মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান বাঘাইছড়ি পৌরসভার উদ্যোগে মশক নিধন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অতিরিক্ত তীব্র তাপমাত্রা বৃদ্ধি হওয়ায় সাধারণ জনজীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ

সমুদ্রের পানি পরিশোধন ফিল্টার তৈরি করলেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৮৯ সময় দেখুন
সমুদ্রের পানি পরিশোধন ফিল্টার তৈরি করলেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী


সমুদ্রের পানি পরিশোধন ফিল্টার তৈরি করলেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী

একবার ভাবুন তো, পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে সমুদ্রের পানি থেকে নিরাপদ খাবার পানি তৈরি করা হচ্ছে! কথাটি শুনতে যতটুকু মজার মনে হচ্ছে, কাজটি করা ঠিক ততটুকু কঠিন। কঠিন কাজটি সফলভাবে শেষ করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. রাসেল দাশ, তার সহযোগী সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ড. গুরং-শো এবং গবেষকদল।

এ বিষয়ে ড. রাসেল দাশ জানান, বিশ্বজুড়ে প্লাস্টিকের দূষণ অপসারণ একবিংশ শতাব্দির জন্য অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তার থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, সমুদ্রের লবণাক্ত পানি থেকে নিরাপদ খাবারের পানি তৈরি করা। বাংলাদেশে অলিগলি, রাস্তা থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগরের উপকূল পর্যন্ত সব জায়গায় প্লাস্টিকের পরিত্যক্ত বোতল দেখা যায়।

গবেষকদলটি এ ধরনের পরিত্যক্ত বোতল থেকে ইলেক্ট্রো-স্পুন প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে এমন একধরনের ন্যানোফাইব্রাস ফিল্টার তৈরি করেছে, যা দিয়ে ৯৯.৯% সমুদ্রের পানি পাতন প্রকিয়ায় নির্লবণীকরণ করা সম্ভব। সাধারণত এ প্রযুক্তিতে পানি পরিশোধন করা খুব ব্যয়বহুল। কারণ এ ধরনের ফিল্টার তৈরির জন্য অনেক মূল্যবান আর্টিফিশিয়াল পলিমার ব্যবহার করতে হয়।

গবেষকদলটি এ ধরনের মূল্যবান পলিমার ব্যবহার না করে প্লাস্টিকের পরিত্যক্ত বোতল থেকে এমন একধরনের পলিমার ব্যবহার করেছেন। যা অনেক সাশ্রয়ী এবং এতে পানির মোট পরিশোধন ব্যয় অনেকাংশে কমে যাবে। তাদের তৈরি ফিল্টারটি প্রতি স্কয়ার মিটারে প্রতিঘণ্টায় সমুদ্রের পানি থেকে প্রায় ২৫ লিটার নিরাপদ খাবারের পানি তৈরি করতে সক্ষম।

পানি দূষিত হওয়ার কারণে একবিংশ শতাব্দিতে পৃথিবীর ৭০০ মিলিয়ন লোক নিরাপদ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। জাতিসংঘের মতে, ২০২৫ সালের মধ্যে সারা বিশ্বের ১.৮ বিলিয়ন মানুষ নিরাপদ পানির সুবিধা পাবে না। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪ মিলিয়ন মানুষ নিরাপদ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ড. রাসেল দাশ গত আট বছর ধরে মালয়েশিয়া, আমেরিকা এবং জার্মানিতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমুদ্রের পানি পরিশোধন করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ ধরনের কাজের জন্য ২০১৫ সালে তিনি ‘এলসেভিয়ার-এটলাস অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। এখন তিনি জাপানের কিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপান সরকারের অধীনে পোস্ট-ডক্টরাল জেএসপিএস ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন।

ড. রাসেল দাশ বলেন, ‘সমুদ্রের পানি নির্লবণীকরণের এ প্রক্রিয়া বাংলাদেশে ব্যবহার করে সুপেয় পানির চাহিদা অনেকাংশে মেটানো সম্ভব। বিশ্বের অনেক দেশ যেমন সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ইসরাইল, সুইডেন, ইউনাইটেড কিংডম, নেদারল্যান্ডস এবং ফ্রান্স সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধ করে সেচ, কৃষি, শিল্প ও গার্হস্থ্য খাতে ব্যবহার করে চাহিদা পূরণ করছে।’ তিনি জানান, তাদের কাজটি জার্নাল অব ওয়াটার প্রোসেস ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom