বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন

[১] কানাডার টরন্টোতে নবনির্মিত শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে প্রবাসীদের ঢল

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৭২ সময় দেখুন
[১] কানাডার টরন্টোতে নবনির্মিত শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে প্রবাসীদের ঢল


[১] কানাডার টরন্টোতে নবনির্মিত শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে প্রবাসীদের ঢল

সালেহ্ বিপ্লব: [২] একুশের প্রথম প্রহরে সর্বজনীন একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কমিটি, টরন্টোর উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী আয়োজনমালার শেষ দিন ছিলো ২১ শে ফেব্রুয়ারী। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যক্তিদের নিয়ে  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা।

[৩] অনুষ্ঠানে কানাডার ক্রীয়াশীল সংগঠন খেলাঘর, উদীচী, বাচনিক, অন্যস্বর, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সংস্থা, আলোকধারা, সুকন্যা নৃত্যাঙ্গন, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন, সংস্থা ও বিশিষ্ট শিল্পী ও ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করেন আহমেদ হোসেন, সুমন সাইয়েদ, কামরান করিম ও জামিল বিন খলিল।

[৪] অনুষ্ঠানের শেষ দিন কানাডার টরন্টোতে নবনির্মিত স্থায়ী শহীদ মিনার ও ভাষা স্তম্ভে বৃহত্তর টরন্টোর সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, রাজনৈতিক সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গ রাত ১২:০১ মিনিটে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিভিন্নদেশের নাগরিকরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

[৫]পুষ্পস্তবক অর্পনের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন টরন্টোর মেয়র জন টরি, সংসদ সদস্য নাথানিয়েল এরস্কিন-স্মিথ, প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ডলি বেগম, কানাডার বাংলাদেশের হাই কমিশনার ড. খলিলুর রহমান, কাউন্সিলর ব্র্যাড ব্র্যাডফোর্ড, কাউন্সিলর গেরি ক্রফোর্ড, টরন্টোতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোঃ লুৎফুর রহমান প্রমুখ।

[৬] একুশের সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি ও সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা কবি আসাদ চৌধুরী ও কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ড. খলিলুর রহমান ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন।

[৭]

[৭] আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ শামসুল আলম, আহমেদ হোসেন, সুমন সাইয়েদ, লিটন মাসুদ, নওশের আলী, ড. মঞ্জুরে খোদা (টরিক) ও মাহবুব চৌধুরী রনি।

[৮] বক্তারা বলেন, নতুন প্রজন্মের প্রবাসীদের মধ্যে বাংলাভাষার বিকাশ-চর্চার এবং কানাডায় বাংলা সংস্কৃতির বিকাশ-বিস্তারে এই শহীদ মিনার ও ভাষা স্তম্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রতিবছর সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির মাধ্যমেই একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হবে।

[৯] শহীদ মিনার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন. মোজাহিদুল ইসলাম, আহাদ খন্দকার, ছাদ চৌধুরী, সাইদুন ফয়সাল, শিবু চৌধুরী, কফিল পারভেজ, খোকন আব্বাস, রাসেল রহমান, মোহম্মদ বাসার, রেজাওয়ান রহমান, জামাল উদ্দীন, আ ন ম ইউসুফ, আমিরুল ইসলাম, জাকারিয়া চৌধুরী, ইলিয়াস খান, বাবলু চৌধুরী, আহমেদ লনী, সাকীব চৌধুরী, মকবুল হোসেন, আরীফ আহমেদ, দীন ইসলাম।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom