সালেহ্ বিপ্লব: [২] একুশের প্রথম প্রহরে সর্বজনীন একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কমিটি, টরন্টোর উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী আয়োজনমালার শেষ দিন ছিলো ২১ শে ফেব্রুয়ারী। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যক্তিদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা।
[৩] অনুষ্ঠানে কানাডার ক্রীয়াশীল সংগঠন খেলাঘর, উদীচী, বাচনিক, অন্যস্বর, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সংস্থা, আলোকধারা, সুকন্যা নৃত্যাঙ্গন, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন, সংস্থা ও বিশিষ্ট শিল্পী ও ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করেন আহমেদ হোসেন, সুমন সাইয়েদ, কামরান করিম ও জামিল বিন খলিল।

[৫]পুষ্পস্তবক অর্পনের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন টরন্টোর মেয়র জন টরি, সংসদ সদস্য নাথানিয়েল এরস্কিন-স্মিথ, প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ডলি বেগম, কানাডার বাংলাদেশের হাই কমিশনার ড. খলিলুর রহমান, কাউন্সিলর ব্র্যাড ব্র্যাডফোর্ড, কাউন্সিলর গেরি ক্রফোর্ড, টরন্টোতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোঃ লুৎফুর রহমান প্রমুখ।
[৬] একুশের সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি ও সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা কবি আসাদ চৌধুরী ও কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ড. খলিলুর রহমান ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন।

[৭] আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ শামসুল আলম, আহমেদ হোসেন, সুমন সাইয়েদ, লিটন মাসুদ, নওশের আলী, ড. মঞ্জুরে খোদা (টরিক) ও মাহবুব চৌধুরী রনি।
[৮] বক্তারা বলেন, নতুন প্রজন্মের প্রবাসীদের মধ্যে বাংলাভাষার বিকাশ-চর্চার এবং কানাডায় বাংলা সংস্কৃতির বিকাশ-বিস্তারে এই শহীদ মিনার ও ভাষা স্তম্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রতিবছর সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির মাধ্যমেই একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হবে।
[৯] শহীদ মিনার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন. মোজাহিদুল ইসলাম, আহাদ খন্দকার, ছাদ চৌধুরী, সাইদুন ফয়সাল, শিবু চৌধুরী, কফিল পারভেজ, খোকন আব্বাস, রাসেল রহমান, মোহম্মদ বাসার, রেজাওয়ান রহমান, জামাল উদ্দীন, আ ন ম ইউসুফ, আমিরুল ইসলাম, জাকারিয়া চৌধুরী, ইলিয়াস খান, বাবলু চৌধুরী, আহমেদ লনী, সাকীব চৌধুরী, মকবুল হোসেন, আরীফ আহমেদ, দীন ইসলাম।