মো. সিরাজুল ইসলাম, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেন, “ডাকসু যার আগামতে রাষ্ট্রও তার”। দেশের মানুষ বুঝে গেছে দেশ পরিচালনার জন্য কারা যোগ্য। ২৪ বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিতাড়িত হওয়ার পর যারা আবারও দেশে ফ্যাসিবাদের রাজত্ব কায়েম করতে চায় তাদেরকে জনগন আর চাই না।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকার গঠিত হয়েছে তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী চাই নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হোক। তবে একটি দল বলছেন তারা ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে অথচ জনগণ আর তাদের বিশ্বাস করতে চাই না।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় কর্ণফুলী-আনোয়ারা জামায়াতে ইসলামীর যৌথ উদ্যোগো জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করাসহ ৫ দফা গণদাবিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীর ও আবুল হাসনাত খোকার সঞ্চালনায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন উপজেলা আমীর মাষ্টার মনির আবছার চৌধুরী।
এসময় দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ বদরুল হক বলেন, জামায়াত-শিবিরকে জেল-ফাঁসি, ঘুম-খুন-হত্যা করে দমাতে পারেনি অথচ একদল বলছেন তাদের নেতাকর্মীদের প্রশ্রাবে নাকি জামায়াত-শিবির ভেসে যাবে। এসময় তিনি তাদের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর কর্মীরা বাসস্ট্যান্ড, ট্যাম্পুস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করতে যায়নি, নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে ১জনও নিহত হয়নি তাদের শতাধিক নেতাকর্মী তাদের নিজেদের হাতেই খুন হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গড়ার জন্য বাংলাদেশের জমিনে ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্টার কাজ করে যাচ্ছে।
এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা ইসমাইল হক্কানি, জেলা অফিস সম্পাদক নুরুল হক, জেলা তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম, আনোয়ারা উপজেলা আমীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ গণি, মাহবুব আলী, এডভোকেট হারুন, নাছির শাহ, মাস্টার শহীদুল আলম ও প্রমূখ।