বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)’র শ্রদ্ধাঞ্জলি কালিয়াকৈরে সংবাদ সংগ্রহ করার সময় এস এ টিভির উপজেলা প্রতিনিধি সহ আহত ২ ডেঙ্গুতে আরেকটি ‍মৃত্যুহীন দিন, আক্রান্ত ১৯৫ ভিসা বাতিল হওয়া ৯৮৫ প্রবাসীর তালিকা আমিরাত সরকারকে দিল দূতাবাস Chess: Father quit Singapore job, pawned jewellery to fund chess dream: Olympiad-bound Savitha Shri’s story | Chess News Top Ent News, August 4: Aamir Khan’s Security Stepped Up; Bhumi Pednekar’s Ex-Teacher Slams Her Amid NEET Row | Bollywood News আগামী ২ দিন কড়া নিরাপত্তায় থাকবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: উপাচার্য আর কোনো স্বৈরাচার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না: মির্জা ফখরুল খুলনায় ৭১ পরিবারের জমি দখল, চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০১৯

পরমাণু অস্ত্র বানানোর দ্বারপ্রান্তে ইরান, ব্লিনকেনের সতর্কবার্তা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ৩১৫ সময় দেখুন
পরমাণু অস্ত্র বানানোর দ্বারপ্রান্তে ইরান, ব্লিনকেনের সতর্কবার্তা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান যে গতিতে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, যদি তা জারি থাকে তাহলে দেশটির পক্ষে পরমাণু অস্ত্র বানানো মাত্র কিছু সপ্তাহের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তোনি ব্লিনকেন এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। রয়টার্সের খবর।

সোমবার (৭ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির আইনপ্রণেতাদের জানান, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে ইরান ফিরে আসবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি জারি রয়েছে। ইরান এখন একটি পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে কয়েক মাস দূরে। যদি কর্মসূচিটি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে শীঘ্রই তারা কয়েক সপ্তাহের দূরে চলে আসবে।

এর আগে গত এপ্রিলে ইরানের নাতাঞ্জ পরমাণু কেন্দ্রে সফলভাবে ৬০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করে ইরান।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে, ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনি পার্লামেন্টে দেওয়া এক ভাষণে ৬০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার ভাষণে আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেছিলেন, ‘আমরা পরমাণু অস্ত্র বানানোর জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছি না, যদি আমরা অস্ত্র বানাতে চাই তবে কেউ আমাদের রুখতেও পারবে না’।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ইরানসহ ছয়টি দেশ এক চুক্তিতে সম্মত হয়। এ চুক্তির আওতায় পরমাণু সমৃদ্ধিকরণের মাত্রা কম রাখতে রাজি হয় তেহরান। এছাড়া ইরানের পরমাণু স্থাপনায় নিয়মিত পরিদর্শনের সুযোগ পায় আন্তর্জাতিক মহল। তার পরিবর্তে ইরানের ওপর পশ্চিমাবিশ্বের চাপানো কড়া শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সম্মত হয়।

তবে ২০১৮ সালে জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) নামের ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের ব্যাপারে একের পর এক অবরোধ আরোপ করতে থাকে ওয়াশিংটন। পরে কোণঠাসা হয়ে পড়া ইরান পরমাণু কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করা শুরু করে।

বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আবারও ইরানের সঙ্গে জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ফেরাতে চাইছেন। গত এপ্রিল থেকে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় দুই পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন-

সারাবাংলা/আইই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom