সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ষড়যন্ত্র করে নারী দিয়ে এসিআই কোম্পানীর ম্যানেজারকে ফাঁসানোর চেষ্টা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাঙ্গামাটিতে পিসিসিপি’র খাদ্য সহায়তা হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু আইএমএফ’র সঙ্গে ৩ বছর মেয়াদে নতুন চুক্তি করবে সরকার সাপাহারে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ গোবিন্দাসী পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল/খাজনা আদায়ের জরিমানা টাঙ্গাইলে রড বোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ১৭ জনের মৃত্যু কালিয়াকৈর ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কলেজের ছুটির তালিকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশোধন Vaibhav Sooryavanshi breaks world record despite flop show against Mumbai Indians | Cricket News

Agriculture News: লেবু চাষ করে মোটা টাকা লাভ করছেন কৃষকরা, Burdwan Farmer Earning Profits from Lemon Cultivation

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫
  • ৭৫ সময় দেখুন


Last Updated:

Agriculture News:ধান বা আলুর পরিবর্তে লেবু চাষ করে ভালই লাভ করছেন বর্ধমানের এক চাষি। কম খরচে বেশি মুনাফা পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে লেবু চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

X

পাতি

পাতি লেবু চাষ 

পূর্ব বর্ধমান: হাইব্রিড পাতি লেবু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। লেবু চাষেই হচ্ছে লক্ষীলাভ। বিকল্প চাষ হিসেবে এই পাতি লেবু চাষকে বেছে নিয়ে হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে। পূর্ব বর্ধমান জেলা রাজ্যের ধানের গোলা নামে পরিচিতি। তবে এই জেলার পূর্বস্থলী ব্লকে চাষ হয় সবকিছু। ফল, ফুল সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি এই এলাকায় চাষ হয়। এখানকার মানুষ যেন প্রতিনিয়িত চাষ নিয়ে নতুন নতুন পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে যান! সেরকমই বিকল্প চাষ হিসেবে পূর্বস্থলীর তোতোন সাঁতরা শুরু করেছিলেন হাইব্রিড পাতি লেবুর চাষ। আর এই চাষ করেই একেবারে বদলে গিয়েছে তাঁর ভাগ্যের চাকা। লেবু চাষ করে এখন ভাল টাকা তিনি আয় করছেন।

লেবু চাষি তোতন সাঁতরা বলেন, “এই চাষে লাভ আছে। তবে একটু সময়সাপেক্ষ, তিন বছর পর থেকে ফলন পাওয়া যাবে। যাদের জমি জায়গা বেশি আছে তারা এই চাষ করে রেখে দিতে পারেন।”

চাষির কথায় তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে এই চাষ করছেন। এই পাতি লেবু চাষে খরচ কম কিন্তু লাভ তুলনামূলক বেশি। গাছ বসানোর তিন বছর পর থেকে ফলন পাওয়া যায় এবং আট থেকে দশ বছর পর্যন্ত একটা গাছ থেকে ফলন পাওয়া সম্ভব। গাছ বসানোর সময় একটা গাছ থেকে আরেকটা গাছের দূরত্ব রাখতে হয় দশ থেকে বারো হাত। এর ফলে যখন গাছ বড় হয় তখন লেবু তুলতে এবং যাতায়াতে অনেক সুবিধা হয়।

এছাড়াও এই চাষের জন্য সারের খরচও অনেকটাই কম। একবছরে দুইবার ফলন পাওয়া যায় এই গাছ থেকে।

একটা বড় গাছ থেকে বছরে পাঁচ হাজার পিস লেবু পাওয়া সম্ভব। এখন এক একটা লেবু দেড় থেকে দুই টাকা দামে বিক্রি হলেও, পৌষ মাস অর্থাৎ শীতের সময় বিক্রি হয় চার থেকে পাঁচ টাকা প্রতি পিস হিসেবে। স্বাভাবিক ভাবেই তখন চাষিদের লাভ হয় অনেকটাই বেশি। এই লেবুর বাগানে মহিলাদেরও কর্মসংস্থান হচ্ছে। কিছু স্থানীয় মহিলা এখানে লেবু তোলার কাজ করেও অর্থ উপার্জন করতে পারছেন।

এই প্রসঙ্গে স্থানীয় মহিলা আদুরী মাঝি বলেন, “আমরা তিন থেকে চারজন এখানে লেবু তোলার কাজ করি। এই গরমের সময় ভালো কাজ হয়। সকাল ৭ টা সময় আসি আবার ৩টে সময় চলে যায়। আমরা ২৮০ টাকা রোজ মজুরি পাই।”

পূর্বস্থলীর এই লেবু রাজ্য ছাড়িয়ে পৌঁছে যায় ভিন রাজ্যেও। বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এখানকার লেবু পাড়ি দেয়। সবমিলিয়ে এখন লেবু চাষ করেই লক্ষীলাভ করছেন চাষিরা।

 বনোয়ারীলাল চৌধুরী 



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom