সুরজিৎ দে, জলপাইগুড়ি: পয়লা বৈশাখ। পুরনোকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে আগমন জানানোর দিন। আর খাদ্যরসিক বাঙালি নতুন বছরের শুভ সূচনায় মিষ্টিমুখ করবে না, তা কি হয় ।তাই পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে
কলকাতার খাদ্য সম্ভারে অন্যতম চুম্বক ফিশ কবিরাজি। যাঁরা নোনতা মুচমুচে খাবার ভালবাসেন, তাঁদের আকর্ষণ মাছের এই পদ। কলকাতার একাধিক দোকান ও কেটারার বিখ্যাত তাদের ফিশ কবিরাজির স্বাদের জন্য। Source
বার্গার দেখলেই জিভে জল আসতে বাধ্য! তবে বার্গারে যদি বেশি পরিমাণে চিজ থাকে, তাহলে তো কথাই নেই! এমনই জাম্বো বার্গারের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশ জুড়ে। এর অবশ্য একটি বিশেষত্ব
মাছে ভাতে থাকা বাঙালির জীবনের মূলমন্ত্র হল মৎস্য মারিব, খাইব সুখে৷ মাছের ঝোল, ঝাল, ভাপা, পাতুরি থেকে শুরু করে চাটনি পর্যন্ত আলো করে থাকে বাঙালির হেঁসেল৷ আরও এক সুস্বাদু পদ
উৎসব প্রিয় বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ৷ যে কোনও উৎসবকে আপন করে নেয় তাঁরা৷ চলছে পবিত্র রমজান মাস৷ কলকাতায় সব উৎসবই সেজে ওঠে নানা রকম খাবারে। আলো, ফুল, নানা রকম
বামনহাট: গ্রাম্য পরিবেশে এবং গ্রাম্য পরিবেশের মেলায় নানান ধরতে মিষ্টির সম্ভার দেখতে পাওয়ায় যায়। তবে এই মিষ্টি গুলি শহরের মিষ্টির চাইতে কিছুটা হলেও আলাদা। এই মিষ্টি গুলি খেতে যেমন সুস্বাদু,
স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়তার জন্যই আজও বিখ্যাত বুন্দেলখণ্ড৷ এখানকার খাবার মুগ্ধ করবে আপনাদের৷ বিশেষত মিষ্ট৷ আজ এমনই এক মিষ্টির কথা বলব যা সুদূর অতীত থেকে আজও মন ভরিয়ে আসছে৷ কেউ যদি
কলকাতা: আসছে পয়লা বৈশাখ। আর বাঙালির নতুন বছরে খানাপিনা না হলে কি চলে। আর নববর্ষে খানাপিনার এলাহি আয়োজন থাকছে তাজ বেঙ্গলে। ট্র্যাডিশনাল ছোঁয়ার স্বাদ পেতে তাই যেতেই হবে শহরের এই
সকালের জলখাবারে গরম-গরম জিভে জল আনা খাবার কার না ভাল লাগে! আর লোভনীয় জলখাবারের জন্য যেতেই হবে ছত্তীসগঢ়ের মহাসমুন্দ জেলার চিলাপাবন চকের শেঠজি হোটেলে। কারণ এখানকার জলখাবারের কথা শুনলে জিভে
ফিট ও স্লিম বডি মেনটেইন করতে আমরা কত কিছুই না ট্রাই করি! ওয়েট লসের জার্নিতে আমরা বিভিন্ন ফ্রুটস ও ভেজিটেবলস দিয়ে তৈরি হেলদি স্মুদি ইনক্লুড করতে পারি, যেটা মেদ কমানোর