Durga Puja 2025: জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির খয়েরখালে শতবর্ষের সোনার দুর্গা পুজো অনন্য। মাত্র একদিন, নবমীতে ভল্ট থেকে বের হয় ৭ ইঞ্চির সোনার মূর্তি। থিম বা ঢাকঢোল নেই, বৈষ্ণব মতে সরল পূজা হয়।
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: ময়নাগুড়ির খয়েরখালে শতবর্ষের সোনার দুর্গা পুজো ঠিক এই কারণেই আর পাঁচটা পুজো থেকে এক্কেবারেই আলাদা। ময়নাগুড়ি ব্লকের খয়েরখাল গ্রাম। সাধারণ একটি গ্রাম হলেও দুর্গাপুজোর ক’টা দিন যেন অন্য মাত্রা পায়। গ্রামের টিনের চালের ছোট্ট মন্দিরটি নবমীর দিন হয়ে ওঠে ভক্তদের ভিড়ে মুখর। সারা বছর দেবী থাকেন গ্রামের ট্রেজারির ভল্টে। মাত্র একদিনের জন্য, শুধু নবমীতে, রীতি মেনে সেই ভল্ট থেকে আনা হয় সোনার দুর্গামূর্তি। ৭ ইঞ্চি উচ্চতার এই মূর্তির ওজন প্রায় ৪০০ গ্রাম। সোনার তৈরি দশভুজার এই রূপে দেবীর পাশে দুটি সিংহ, অসুর আর মহিষের মাথা ফুটে উঠেছে। তবে সন্তানসন্ততি বা অস্ত্র নেই মূর্তিতে। কয়েক বছর আগে গ্রামবাসীরাই রুপোর অস্ত্র আর সিংহাসন তৈরি করে দেন দেবীর জন্য।
নবমীর দিন বৈষ্ণব মতে পূজা হয় দেবীর। কোনও থিম, আলো বা প্রতিযোগিতা নেই। নেই ঢাকঢোলের কোলাহলও। অথচ খয়েরখালের এই পুজো ঘিরে ভক্তদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো। আশপাশের গ্রাম তো বটেই, দূরদূরান্ত থেকেও মানুষ আসেন এক ঝলক সোনার দুর্গা দর্শনের জন্য। পুজোর দিন মন্দির চত্বরে ছোট্ট মেলার আয়োজনও করা হয়।গ্রামবাসীদের কাছে এই দেবী পরিচিত ‘মা গোসানি’ নামে। তাই এক দিনের পুজো হলেও পুজোতে প্রাণ রয়েছে ভরপুর!
সেখানে যেতে হলে তার রাস্তার বিবরণ ময়নাগুড়ি ইন্দিরা মোড় থেকে চ্যাংরাবান্ধ্যার দিকের রাস্তার দিকে যেতে হবে।জল্পেশ মোড় পাড় করে রাজারহাট মোড় পাড় করে একদম ভোটপাট্টি বাজার পৌছতে হবে।ভোটপাট্টি বাজার থেকে ডান দিকের পাকা রাস্তা ধরে ভোটপাট্টি রেল স্টেশন পার করে ১০০ মিটার দূরে একটা তিন মাথা রাস্তা পরবে।ওই রাস্তার পাশেই রেলগেট ।রেলগেট পার করে ডান দিকে ২০০ মিটার যাবার পর আবার তিন মাথা রাস্তা।ওই তিন মাথা রাস্তা থেকে বাম দিকে হেলাপাকড়ি দিকের রাস্তায় ঢুকতে হবে। হেলাপাকড়ির দিকে রাস্তায় ঢুকে ১-২ কিলোমিটার যাওয়ার পর যে কোনও মানুষকে বলতে হবে ‘মা গোসানি মন্দির’ যাব। একবারে সবাই দেখিয়ে দেবে। প্রসঙ্গত মা গোসানি আর সোনার দুর্গা একই।