বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন

Sugarcane Cultivation: আখ চাষ করে ব্যাপকভাবে লাভবান হচ্ছেন বসিরহাটের কৃষকরা | দক্ষিণবঙ্গ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১৮ সময় দেখুন


Last Updated:

বসিরহাটের হাবাসপুর, লক্ষণকাটি, হিজলা সহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা এখন চিরাচরিত চাষ পদ্ধতি থেকে সরে এসে আখ চাষে মন দিচ্ছেন। ববর্তমানে এই অঞ্চলে প্রায় সারা বছর আখ চাষ হচ্ছে

+

লাভবান

লাভবান হচ্ছেন

বসিরহাট, উত্তর ২৪ পরগণা, জুলফিকার মোল্যা: আখ চাষে নতুন দিগন্ত, বসিরহাটে কৃষিতে বিপ্লবের হাওয়া। একসময় উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার গ্রামগুলোতে আখ চাষের তেমন দেখা মিলত না। এখানকার কৃষি কাজের মূল ভরসা ছিল ধান ও কয়েকটি সীমিত মরশুমি ফসল। কিন্তু সময় বদলেছে। আজ আখ চাষ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন এখানকার কৃষকরা।

বসিরহাটের হাবাসপুর, লক্ষণকাটি, হিজলা সহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা এখন চিরাচরিত চাষপদ্ধতি থেকে সরে এসে আখ চাষে মন দিচ্ছেন। ববর্তমানে এই অঞ্চলে প্রায় সারা বছর আখ চাষ হচ্ছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, ধান চাষে এখন আর সেভাবে লাভ হয় না। সেখানে আখ চাষ তুলনামূলকভাবে বেশি লাভজনক ও চাহিদাসম্পন্ন। ফলে চাষ করে দিনের শেষে দুটো পয়সার মুখ দেখতে পারছেন।

চিরাচরিত ধান চাষের পরিবর্তে আখ চাষের কতগুলি সুবিধাও আছে। আখ চাষের জন্য কম জমি ও সেচের সুবিধা প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে বাজারে ভাল দাম পাওয়া যায়। অর্থাৎ তুলনায় কম খরচ এবং বেশি চাহিদার হাত ধরে এই বসিরহাটের কৃষকরা আখ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

কৃষি বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে বসিরহাটকে জেলার অন্যতম আখ উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করবে। কৃষকদের দাবি, সরকারি সহায়তা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সহজলভ্যতা পেলে উৎপাদন আরও বহুগুণে বাড়ানো সম্ভব। স্থানীয়রা বলছেন, এই চাষের মাধ্যমে শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন‌ই নয়, গ্রামে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। ফলে যুব সম্প্রদায়ের অনেকে আবার কৃষির কাজের দিকে ফিরছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, আখ ভিত্তিক ক্ষুদ্র শিল্প গড়ে উঠলে এই অঞ্চলের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর