সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন

Tech Tips: how to be secure from phishing attack to-what-to-do if you get suspicious

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৩৫ সময় দেখুন
Tech Tips: how to be secure from phishing attack to-what-to-do if you get suspicious


প্রযুক্তির যুগে আজকাল ঘরে বসেই সব কাজ করা যায় সহজে। তা সে কাউকে টাকা পাঠানো হোক বা কোনও কেনাকাটা সংক্রান্ত লেনদেন—এক ক্লিকেই কাজ হয়ে যায় নিমেষে। কিন্তু ঘটনা হল প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেড়েছে জালিয়াতিও। সাইবার অপরাধীরা সাধারণ মানুষকে ‘টার্গেট’ করার জন্য একের পর এক কৌশল বের করে ফেলছে। প্রতারকরা প্রথমেই টার্গেটের তথ্য হাতিয়ে নেয়। তারপর তাঁদের কাছ থেকে অর্থ চুরি করে, একে ‘ফিশিং’ বলা হয়। ফিশিং হল এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকাররা গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ব্যক্তিগত ব্যাঙ্কের বিশদ বিবরণ, ডেবিট কার্ডের নম্বর, পিন বা পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেয়।

এই বিবরণ ব্যবহার করে তারা সাধারণ মানুষের টাকা চুরি করে। হ্যাকাররা ফিশিং আক্রমণের জন্য অনেক পদ্ধতি ব্যবহার করে যার মধ্যে একটি হল ই-মেল।

আরও পড়ুন – সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনবেন ভাবছেন? এই ব্য়াপারগুলো না দেখলে ঠকতে হবে কিন্তু

কিন্তু কী ভাবে বোঝা যাবে কোন মেল সন্দেহজনক, কোন মেলে ঘনিয়ে আসছে বিপদ! দেখে নেওয়া যাক এক নজরে—

১. কথা বলার ভঙ্গিতে কোনও রকম অস্বাভাবিকতা থাকলে

২. ব্যাকরণগত ভুল বা বানান ভুল

৩. ই-মেল ঠিকানা, লিঙ্ক এবং ডোমেইন নামে থাকা ভুল

৪. কোনও রকম হুমকি বা জরুরি বলে দাবি করা

যে ভুল কখনই করা যাবে না—

১. পাসওয়ার্ড (Password), পিন নম্বর (Pin Number), ইউজার আইডি (User ID) বা কোনও স্পর্শকাতর, গোপন তথ্য ই-মেল মারফত কাউকে পাঠানো উচিত নয়।

২. কোনও ই-মেলে ‘Verify Your Account’ বা ‘Login’ লিঙ্কে ক্লিক করবেন না। পরিবর্তে, সর্বদা একটি নতুন উইন্ডো খুলতে হবে এবং যে কোনও অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে ইনস্টিটিউটের অফিসিয়াল হোম পেজ ব্যবহার করতে হবে।

৩. কোনও অজানা, সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করা উচিত নয়। Spam বা সন্দেহজনক কোনও মেলে পাঠানো ‘অ্যাটাচমেন্ট’ খোলা উচিত নয়।

আরও পড়ুন – বিল পেমেন্ট করতে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না, ঘরে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে বিল দিন ২ মিনিটে

৪. কোনও লিঙ্কে ক্লিক করলে বা স্প্যাম মেলের উত্তর দিলে যে কোনও ব্যক্তির ই-মেল আইডি সনাক্ত করে ফেলতে পারে জালিয়াতরা। তাতে ভবিষ্যতে আরও বড় ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

এই ধরনের মেইল সনাক্ত করার পর যা কর্তব্য—

সন্দেহজনক ই-মেলটি যে সংস্থার নামে আসছে সেই সংস্থাকে রিপোর্ট করতে হবে।

অ্যাটাচমেন্ট খোলার সময় সতর্ক থাকতে হবে।

অ্যান্টি-ভাইরাস এবং ফায়ারওয়াল প্রোগ্রাম ইনস্টল করা জরুরি।

ব্যাঙ্কের ক্রেডিট/ডেবিট স্টেটমেন্ট নিয়মিত পরীক্ষা করতে করতে হবে।

Published by:Ananya Chakraborty

First published:

Tags: Cyber Attack, Malware, Tech tips



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর