#নয়াদিল্লি:
মেক ইন ইন্ডিয়া ও আত্মনির্ভর ভারত- কেন্দ্রীয় সরকারের দুটি ভাবনাই যেন করোনার জন্য থমকে গিয়েছে। নতুন ভারত গড়ার ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে দেশজ জিনিসের উপর বিশ্বাস রাখতে বলেছিলেন দেশবাসীকে। গত বছর করোনা মহামারীর মাঝে তিনি দেশের মানুষকে আত্মনির্ভরতার পাঠ দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দাবি ছিল, দেশের আর্থিক প্রগতির চাবিকাঠি দেশের মানুষের হাতেই রয়েছে। স্বননির্ভর হলেই দেশের আর্থিক পরিস্থিতি ভাল হতে পারে। তবে আপাতত সেসব ভাবনাই করোনার দাপাদাপিতে চাপা পড়েছে। দেশের মানুষ ও সরকার আপাতত করোনা পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। এমন অবস্থায় মেক ইন ইন্ডিয়া ভাবনাকে নতুন করে গতি দিতে চাইছে কেন্দ্র। আর তাই এবার পেট্রোল, ডিজেলের উপর দেশবাসীর নির্ভরতা কমাতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার।দেশের ব্যাটারি স্টোরেজ বাড়াতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্র। এবার দেশের মাটিতেই ব্যাটারি উত্পাদন বাড়ানোর দিকে ঝুঁকছে সরকার। তার জন্য বড়সড় বিনিয়োগ হতে পারে। যার জেরে ইলেকট্রিক গাড়ির (Electric Vehicle) সংখ্যা বাড়তে পারে রাস্তায়। আবার পেট্রোল, ডিজেলের উপরও দেশবাসীর নির্ভরতা কমবে। এমনিতেই লাগাতার বেড়ে চলেছে পেট্রোল, ডিজেলের দাম। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতে পারছে না কেন্দ্র। দেশের বহু জায়গায় পেট্রোল লিটার প্রতি ১০০ টাকার গণ্ডি পেরিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এবার ব্যাটারিচালিত গাড়ি উত্পাদনে জোর দিতে চাইছে সরকার। ক্যাবিনেট মিটিং-এ সিদ্ধান্ত হয়েছে, এবার থেকে ব্যাটারি স্টোরেজের উপর জোর দেওয়া হবে।
সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট-এর সাহায্যে দেশে এখন এক লাখ ৩৬ হাজার গিগাবাইট বিদ্যুত্ উতপাদন সম্ভব হচ্ছে। তবুও এই বিদ্যুত মজুত করে রাখা যাচ্ছে না। তবে ব্যাটারি স্টোরেজে জোর দেওয়া গেলে এই পরিমাণ বিদ্যুত্ শক্তি সঞ্চয় করে রাখা যাবে। ব্যাটারি স্টোরেজ বাড়ানোর জন্য ৪৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হতে পারে। কোনও সংস্থা এক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে চাইলে সরকারের তরফে ১৬ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ইনসেনটিভ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
Published by:Suman Majumder
First published: