রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোনো শিশু যেন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে: চসিক মেয়র কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: ববি হাজ্জাজ Shubman Gill meets football legend Ronaldinho at FIFA World Cup, photo goes viral | Cricket News মেধাবীদের ল্যাপটপ-ট্যাব পুরস্কার, শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের প্রত্যয়ে প্রবাহের সমাপনী অনুষ্ঠান মোহনপুরে পারিবারিক দ্বন্দ্বে নিহত ১ সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ গ্রেফতার যুব সমাজকে বাঁচাতে মিলনপুরে মাদকবিরোধী সমাবেশ Legendary Tamil Director K Bhagyaraj Passes Away, Salman Khan To Leave Galaxy Apartments? | Bollywood News স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায় শিশু মাসুদ, চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদন খরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন আবদুল্লাহ আল আজিজ

আমরা মানুষকে কেনার চিন্তা করি না: জামায়াত আমির

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭০ সময় দেখুন
আমরা মানুষকে কেনার চিন্তা করি না: জামায়াত আমির


ঢাকা: জামায়াতের কর্মীরা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ নম্বর ও ন্যাশনাল আইডি কার্ড নম্বর সংগ্রহ করছে এমন অভিযোগের জবাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিকাশ নম্বর নেব কেন? আমরাতো মানুষকে কেনার চিন্তা করি না। আমরা মানুষের জীবনের প্রতি সম্মান দেখাই। যারা নিজেরাই এই কাজ করেন তারা উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছেন।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচনি প্রচারে উত্তরবঙ্গ যাওয়ার সময় ঢাকা হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দশ টাকা কেজি চালের মতো মানুষকে অনেক কার্ডের লোভ দেখানো হচ্ছে। মানুষকে ফ্ল্যাট এখনই যেন হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এগুলো কি লঙ্ঘন নয়? আমরা কোথায় কী করেছি, নিজেদের লোক দিয়ে এআই মাধ্যমে এ সমস্ত জিনিস তৈরি করে আমাদের বিরুদ্ধে ছাড়া হচ্ছে কি না সেটাও দেখতে হবে। আমরা কিন্তু ওই সমস্ত চোরা পথে জনগণের বৈধ অধিকার এবং পাওয়ারকে প্রভাবিত করাটা স্পষ্টভাবে ঘৃণা করি।

জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশ গত ৫৪ বছর চোরাবালিতে হারিয়ে গেছে। লাভ যে কিছু হয়নি তা বলবো না, তবে লাভের চেয়ে ক্ষতি হয়েছে অনেক বেশি। বিশেষকরে দেশের সবগুলো সাংবিধানিক, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে। জাতির ঘাড়ে বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা রেখে যাওয়া হয়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থাপনা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলো কী হতে পারে তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামীতে যারা সরকারে আসবেন, আমরা আসি বা অন্যরা আসুক, এটি একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ। এর পাশাপাশি আমাদের বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত যুব সমাজ এখনো দারুণভাবে বেকারত্বে ভুগছে। এগুলো আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে কর্মীবান্ধব পরিবেশ অনেক জায়গায় নিশ্চিত হয়নি। বিশেষ করে চলাফেরায় এবং কর্মস্থলে মা-বোনদের জন্য সমাজ কোনো নিরাপত্তা বিধান করতে পারেনি।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের সামনে আছে। এই প্রেক্ষাপটে আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হচ্ছে। প্রথম বার্তা হচ্ছে, দেশের স্বার্থে একটা জায়গায় সবার ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত। দুই নম্বর হচ্ছে পরস্পরকে আঘাত না করা। নিজের কর্মসূচি নিয়ে জনগণের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। জনগণ যাদেরকে মূল্যবান ভোট দিয়ে, ভালোবাসা দিয়ে কবুল করে নেবেন, তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা উচিত। অন্যকোনো কায়দায় নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার জন্য যে-কোনো অসৎ উদ্দেশ্য থেকে সবার বিরত থাকা উচিত। রাষ্ট্রের কোনো পর্যায়ের কারো এতে সম্পৃক্ত হওয়া উচিত নয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এই প্রথমবারের মতো দাবি তুলেছিলাম, প্রবাসীদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এ দাবিতে আমরা আন্দোলন করেছি। শেষ পর্যন্ত সরকার এবং নির্বাচন কমিশন আমাদের এই দাবির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন। ইতোমধ্যে পোস্টাল ব্যালট যাওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু জায়গায় এখনো ব্যালট পৌঁছায়নি। আমরা নির্বাচন কমিশনকে এ ব্যাপারে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করবো। এটা যেন এমন সময়ের ভেতরে নিশ্চিত হয় যাতে যথা সময়ে ফেরত আসতে পারে।

তিনি বলেন, যেহেতু আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করতে চাই সেজন্য এককভাবে নির্বাচনে যাচ্ছি না। আমরা দেশের সব দেশপ্রেমিক এবং ইসলামী দলগুলোকে সাথে নিয়ে এক সাথে যাচ্ছি। কিছু ব্যতিক্রম থাকতেই পারে। কিন্তু আমাদের এই আয়োজনটা সামগ্রিক একটি আয়োজন। আমরা জাতিকে আশ্বস্ত করেছি, একা নয় সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়ব। আমাদের স্লোগান হচ্ছে এসো একসঙ্গে গড়ি বাংলাদেশ।

যুব সমাজের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানাই, ভাই তোমাদের রক্তেই আজকের এই বাংলাদেশ, ২৬ এর এই নির্বাচন। তোমাদেরকে আরও কিছু দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাতে এই নির্বাচনটা বাংলাদেশর ইতিহাসে গৌরবজনক স্মরণীয় নির্বাচন হয়ে থাকে। নির্বাচন যেন হয় সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং সুষ্ঠু।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান, দলের সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন।

 





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom