বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Koffee With Karan 9: Janhvi Kapoor, Varun Dhawan Shoot Episode; Arjun Kapoor Makes A Cameo? | Exclusive | Bollywood News Ex-Pakistan batter calls India ‘arrogant’ as he defends Mohsin Naqvi after Asia Cup trophy row | Cricket News ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ শ্যামনগরের জলবায়ু- স্মার্ট কৃষি ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী সহকারী প্রধান শিক্ষক মহসীনের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে পিটিয়ে অজ্ঞান করার অভিযোগ রায়পুরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ হাম উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ স্মার্টফোনের স্লো চার্জিং দূর করার সহজ উপায় প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ মা‌র্কিন দূতাবাসের কালিয়াকৈরে মাদক ও অস্ত্র সহ গ্রেফতার -৬

জীবনের প্রথম নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সার্জেন্ট হয়েছি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯
  • ৩৭৩ সময় দেখুন
জীবনের প্রথম নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সার্জেন্ট হয়েছি


জীবনের প্রথম নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সার্জেন্ট হয়েছি

এসএসসি পাস করেছি ২০০৭ সালে, লক্ষ্মীপুরের জয়পুরা এসআরএমএস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। চাঁদপুরের আল-আমীন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০০৯ সালে এইচএসসি পাস করেছি। চাঁদপুর সরকারি কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষে পড়ার সময় থেকেই চাকরির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করি। চাকরির ক্ষেত্রে প্রথম টার্গেট ছিল বিসিএস।

ছাত্রজীবনে টিউশনি করার কারণে পাটিগণিত, ইংরেজি গ্রামারে ভালোই দক্ষতা ছিল, যা চাকরির প্রস্তুতিতে বেশ কাজে দিয়েছিল। নবম-দশম শ্রেণির পাশাপাশি পঞ্চম শ্রেণির বই থেকে পাটিগণিত করেছি। ইংরেজি গ্রামারের সাধারণ নিয়ম, বানান ও শব্দভাণ্ডার খেয়াল করে পড়েছি।

সাধারণ জ্ঞান ও সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও দৈনিক পত্রিকা দেখেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, বিসিএস টার্গেট করে কেউ যদি ভালোভাবে প্রস্তুতি নেয়, তাহলে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোথাও না কোথাও তিনি চান্স পেয়ে যাবেন।

বোটানিতে অনার্স-মাস্টার্সে প্রথম বিভাগে পাস করি। ঢাকায় এসে ভর্তি হই বিসিএস কোচিংয়ে। এর দুই মাস পর ‘২৫তম পুলিশ সার্জেন্ট নিয়োগ-২০১৭’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি চোখে পড়ে। শারীরিক পরীক্ষার তারিখ ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ঢাকায়। শারীরিক পরীক্ষায় আমি নির্বাচিত হই। এটিই ছিল আমার চাকরিজীবনের প্রথম পরীক্ষা।

প্রথম ধাপের (শারীরিক পরীক্ষা) বাছাইয়ের পর মনে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস চলে আসে। লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হই। সিলেবাস ঘেঁটে দেখি—ইংরেজি, বাংলা রচনা, কম্পোজিশনের জন্য থাকছে ১০০ নম্বর; সাধারণ জ্ঞান ও পাটিগণিতে ১০০ এবং মনস্তত্ত্বে ৫০ নম্বর। সব মিলিয়ে ২৫০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য দেড় মাসের মতো সময় পেয়েছিলাম।

২৭-২৯ মার্চ ২০১৭—এই তিন দিন লিখিত পরীক্ষা হয়। প্রশ্ন হাতে পেয়েই মনে হয়েছে, এ ধাপও টপকাতে পারব। যা ভেবেছিলাম, তা-ই হলো। এবার ভাইভা। দিনের প্রথম ভাইভাটি ছিল আমার। শুনেছি—প্রথম দিকের ভাইভায় বেশি সময় ধরে প্রশ্ন করা হয়। তাই মনে ভয় ভয় লাগছিল; কি না কি জিজ্ঞেস করে! পারব তো? তখন দেশে মৌসুমি বন্যা।

ভাইভার শুরুতেই ‘মৌসুমি বন্যা কোথায় হচ্ছে? এতে বাংলাদেশের আর্থিক কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে?’ প্রশ্ন করা হয়। পত্রিকা নিয়মিত মন দিয়ে পড়তাম, তাই উত্তর দিতে বেগ পেতে হয়নি। উত্তর শুনে ভাইভা বোর্ডের স্যাররা আশ্বস্ত হন। যতটা কঠিন ভেবেছিলাম, তেমনটা হয়নি। এ ধাপও শেষ হলো।

সব শেষে মেডিক্যাল পরীক্ষা। একে একে সব রকমের মেডিক্যাল পরীক্ষায় টিকে সার্জেন্ট নিয়োগপ্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হই। মজার ব্যাপার হলো, আমার মাস্টার্স পরীক্ষার ফল পাওয়ার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় পুলিশ সার্জেন্ট হিসেবে নিয়োগের ফল পাই। আমার শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পরপরই চাকরিজীবন শুরু হয়।

২০১৭ সালের নভেম্বরে শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট হিসেবে জয়েন করি। বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে (সারদা, রাজশাহী) এক বছরের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ করি। এখন লক্ষ্মীপুর জেলায় ‘পুলিশ সার্জেন্ট’ হিসেবে কর্মরত আছি। চাকরি করছি বলে বিসিএসের আশা ছাড়িনি। এখন আমার মূল টার্গেট বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে পুলিশ ক্যাডারে চান্স পাওয়া। অনুলিখন: জুবায়ের আহম্মেদ তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর