শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

দশম দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে স্থবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪
  • ১১৮ সময় দেখুন
দশম দিনের সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে স্থবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শশী,জবি প্রতিনিধি

সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন’ প্রত্যাহারের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সর্বাত্মক কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচির দশম দিনে সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

গত ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি শুরু করেন জবির শিক্ষকরা। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শিক্ষকরা জানিয়েছেন, প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।

শিক্ষকদের টানা কর্মবিরতির সার্বিক বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে আসেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম।

এসময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন,
এই পেনশন স্কিম চরম বৈষম্যমূলক এবং ক্ষতিকারক শিক্ষকদের জন্য এবং পরবর্তী শিক্ষর্থীদের জন্য। তাই এটা প্রত্যাখান করা হয়েছে এবং সেটা বাতিল করতে হবে তাদেরকে, করে আলোচনায় বসতে হবে কমিশন নিয়ে কিভবে নতুন স্কেল এবং পেনশন করা যায় ততোদিন পর্যন্ত যে পেনশন সিস্টেমটা আছে তা বলবৎ থাকবে।অপরিপক্ব লোকজন দিয়ে এই পেনশন স্কিম তৈরি করা হয়েছে।,

শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মমিন উদ্দিন বলেন, “আজ দশ দিন হলেও এখনো এ বিষয়ে কোনো সমাধান আসেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চীন থেকে আসলে হয়তো বিষয়টির সমাধান হতে পারে। আমরা ক্লাসে ফিরতে পারছি না, আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হচ্ছে। আমরা চাই না আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হোক। আশা করছি সরকার আমাদের দাবি মেনে নেবে, আমরা দ্রুত ক্লাসে ফিরতে পারব।”

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. শেখ মাশরিক হাসান বলেন, “মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষকতা পেশায় উৎসাহিত করতে তাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা ঠিক রাখতে হবে। আমাদের আন্দোলন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য। শিক্ষকদের যে তিনটি দাবি রয়েছে তা আদায়ের জন্য সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আমরাও একাত্মতা পোষণ করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।”

প্রসঙ্গত, সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন’ প্রত্যাহার এবং পূর্বের পেনশন স্কিম চালু রাখার দাবিতে গত ২০ মে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। তার ধারাবাহিকতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে মানববন্ধন করেন শিক্ষকরা। এরপর মে ২৮ দুই ঘণ্টা এবং ২৫-২৭ জুন তিনদিন সারাদেশে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়। পরবর্তীতে ৩০ জুন পূর্ণ কর্মবিরতি এবং ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি শুরু হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর