সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন

বাকৃবিতে মেসেঞ্জার গ্রুপে কথা কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষ, আহত ৪

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৫ সময় দেখুন
বাকৃবিতে মেসেঞ্জার গ্রুপে কথা কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষ, আহত ৪


বাকৃবি: এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আবারও দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

রোববার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের (ব্যাচ-৬৫) শিক্ষার্থীদের মেসেঞ্জার গ্রুপে তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে ব্যক্তিগত বিরোধে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, কৃষি অনুষদের সেকশন ‘এ’-এর ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেসেঞ্জার গ্রুপে একটি মিম পোস্ট দেওয়াকে ঘিরে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওই পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়ে একজন শিক্ষার্থী অফিশিয়াল গ্রুপে এ ধরনের বার্তা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে পাঠানোর পরামর্শ দিলে, দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই বিরোধ দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থীরা সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেন। পরে সোহরাওয়ার্দী হলের একদল শিক্ষার্থী ভাসানী হলে গিয়ে ভাঙচুর চালান। এতে ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে একজনের মাথায় আঘাত লাগে এবং অন্যদের হাত-পায়ে জখম হয়।

খবর পেয়ে রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষ নিজ নিজ হলে ফিরে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আমিনুল মতিন বলেন, ‘খুব বেশি শিক্ষার্থী আহত হননি। মোট তিন থেকে চারজন আহত হয়েছেন। তারা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কাউকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন হয়নি। আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থী। সোহরাওয়ার্দী হলের আহতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার পর সবাই নিজ নিজ হলে ফিরে গেছে। রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, এক হলের শিক্ষার্থীরা অন্য হলে ভাঙচুর করেছে। পরে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom