রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাতিয়ার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আলী নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত IPL 2026: ‘We are keeping it simple’- Ruturaj Gaikwad eyes playoff push after big win vs MI | Cricket News Firing Outside Salman Khan’s House Was Attempt To Kill Him, Bodyguard Tells Court | India News যৌন নিপীড়ন মামলায় রাজশাহীর সাংবাদিক কারাগারে কালিয়াকৈরে এক ড্রাম কালো পানিতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুরগি ড্রেসিং, মানুষ ক্যান্সার জীবাণুর ঝুঁকিতে কর্ণফুলীতে “হাত কাটা বাইল্লা’র” বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সাধারণ মানুষদের হয়রানির অভিযোগ কালিয়াকৈরে রেলওয়ে জমি দখল করে পুনরায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে IPL 2026: ‘I want MS Dhoni’s five trophies’- KL Rahul after surpassing him on IPL list | Cricket News Raja Shivaji, The Devil Wears Prada 2 Get Post-Midnight Shows In Mumbai Amid Huge Demand | DEETS Inside | Bollywood News কর্ণফুলীতে শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের উদ্দ্যোগে মে দিবস উৎযাপন

রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র তেল কিনতে পারলে, ভারত কেন পারবে না—প্রশ্ন পুতিনের

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৯ সময় দেখুন
রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র তেল কিনতে পারলে, ভারত কেন পারবে না—প্রশ্ন পুতিনের


রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছেন। রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল না কেনার জন্য ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি চাপের তীব্র সমালোচনা করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নয়া দিল্লি পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা পর সম্প্রচারমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি রাশিয়ার তেল কিনতে পারে, তাহলে ভারত কেন পারবে না?” তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে দ্বৈত নীতি বলে উল্লেখ করেন। এই সফরের সময় উভয় দেশ পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং লেনদেনের ক্ষেত্রে পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর চেষ্টা করবে।

ইউক্রেনে মস্কোর আগ্রাসনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র যখন ভারতকে রাশিয়াকে এড়িয়ে চলতে চাপ দিচ্ছে, ঠিক তখন চার বছরে পুতিনের এই প্রথম ভারত সফরের লক্ষ্য হলো রাশিয়ার তেল, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং যুদ্ধবিমানের বিক্রি বাড়ানো, এবং জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বাইরেও ব্যবসায়িক সম্পর্ক প্রসারিত করা।

নয়াদিল্লি এবং মস্কোর মধ্যে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় থেকে দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে এবং বহু দশক ধরে রাশিয়া ভারতের প্রধান অস্ত্র সরবরাহের উৎস। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মস্কো ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করার পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ভারত সমুদ্রপথে আসা রাশিয়ার তেলের শীর্ষ ক্রেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যখন বলছে যে ভারতের সস্তায় রুশ তেল কেনা মস্কোর ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থায়নে সাহায্য করছে, তখন ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শাস্তিমূলক শুল্ক এবং রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা কঠোর হওয়ার ফলে এই মাসে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানি তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হতে চলেছে।

পুতিন ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এখনো তার নিজস্ব পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য আমাদের কাছ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি কেনে। সেটিও তো জ্বালানি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি যুক্তরাষ্ট্রের আমাদের জ্বালানি কেনার অধিকার থাকে, তবে ভারতের কেন একই সুযোগ থাকবে না? এই প্রশ্নটির পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা প্রয়োজন, এবং আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।’

ভারত বলেছে যে ট্রাম্পের শুল্ক অন্যায্য এবং অযৌক্তিক এবং মস্কোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান বাণিজ্যের দিকে ইঙ্গিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে শুরু করে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পর্যন্ত কোটি কোটি ডলারের রাশিয়ান জ্বালানি ও পণ্য আমদানি অব্যাহত রেখেছে।

পশ্চিমাদের চাপের কারণে ভারতীয় তেলের ক্রয় কমেছে কি না জানতে চাইলে পুতিন বলেন, ‘এই বছরের প্রথম ৯ মাসে সামগ্রিক বাণিজ্যের পরিমাণে কিছুটা হ্রাস দেখা গেছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘এটা কেবল একটি সামান্য সমন্বয়। সামগ্রিকভাবে, আমাদের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় আগের মতোই আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং অপরিশোধিত তেল… রাশিয়ার তেলের বাণিজ্য ভারতে মসৃণভাবে চলছে।’

ভারত ও রাশিয়ার ট্রাম্প এবং তাঁর শুল্কের সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করা উচিত জানতে চাইলে পুতিন বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন কিছু উপদেষ্টা আছেন, যাঁরা বিশ্বাস করেন যে এই ধরনের শুল্কনীতি বাস্তবায়ন চূড়ান্তভাবে মার্কিন অর্থনীতির জন্য উপকারী। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি যে শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সকল নিয়ম লঙ্ঘন সংশোধন করা হবে।’

এর কয়েক ঘণ্টা আগে নরেন্দ্র মোদি দিল্লিতে বিমানবন্দরে পুতিনকে স্বাগত জানান। বিমানবন্দরের রানওয়েতে লালগালিচার ওপর তাঁরা একে অপরকে আলিঙ্গন করেন এবং তারপর প্রধানমন্ত্রী মোদি আয়োজিত একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজের জন্য একই গাড়িতে চলে যান।

পুতিনের এই সফরে রাশিয়ার ঊর্ধ্বতন মন্ত্রী এবং একটি বড় রাশিয়ান ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল নয়াদিল্লিতে উপস্থিত ছিল। শুক্রবার দুই নেতা শীর্ষ বৈঠক করবেন, যেখানে একাধিক চুক্তি ঘোষণা করার কথা রয়েছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom