শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন

দুই দেশের ‘মানুষে–মানুষে’ সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে চাই: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৩ সময় দেখুন
দুই দেশের ‘মানুষে–মানুষে’ সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে চাই: মার্কিন রাষ্ট্রদূত


ঢাকা: বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ভাগাভাগি করে দুই দেশের ‘মানুষে-মানুষে’ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর উপলক্ষ্যে শনিবার (০৪ জুলাই) মার্কিন দূতাবাসের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ পার্কে আয়োজিত ‘আমেরিকান ফেয়ার ইন দ্য পার্ক’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এমন ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। ।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আজ থেকে ২৫০ বছর আগে, আমাদের ৫৬ জন ‘ফাউন্ডিং ফাদার’ স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসনের জন্য নিজেদের সবকিছু বাজি রেখেছিলেন। আমরা বিশ্বাস করি, আমেরিকার এ ইতিহাস বিশ্বের বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে—যার মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ এবং বাংলাদেশের নিজস্ব স্বাধীনতা সংগ্রামও রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের ইতিহাসের আরও অনেক কিছু ভাগাভাগি করতে চাই এবং আমাদের দুই দেশের ‘মানুষে-মানুষে’ পারস্পরিক সম্পর্ক ও বোঝাপড়া আরও দৃঢ় করতে চাই।

এ সময় দুই দেশের জনগণের মধ্যকার এই যোগসূত্র ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা চাই আমাদের ইতিহাস, আদর্শ ও মূল্যবোধ বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ ও সংস্কৃতিকে আরও ভালোভাবে জানতে চাই।
এর জন্য দেশজুড়ে ‘আমেরিকা সপ্তাহ’ উদযাপনের কথা বলেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

তিনি বলেন, তারা ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে কর্মসূচি পালন করেছেন। ঢাকা পর্ব শেষে রাজশাহী ও সিলেটেও যাবেন। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত বলেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে আরও ভালোভাবে বুঝতে চায়, আর বাংলাদেশও যেন যুক্তরাষ্ট্রকে আরও কাছ থেকে জানতে পারে—সেই সুযোগ তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য।

প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছরের ইতিহাসের নানা দিক তুলে ধরা হয়। সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে কয়েকটি তথ্যভিত্তিক স্টল, যেখানে আমেরিকার স্বাধীনতার পথচলা, গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা এবং গণতান্ত্রিক বিকাশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। তাদের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধও উঠে আসে বিভিন্ন স্টলে রাখা নানা নিদর্শন ও তথ্যে। দেশটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক নিয়েও একটি প্রদর্শনী ছিল।

মার্কিন দূতাবাসের এই আয়োজনে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার ওপর। এছাড়া অনুষ্ঠানে ছিল ২৫তম ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের (২৫ আইডি) ইউএস আর্মি ব্যান্ডের বিশেষ পরিবেশনা।

এ আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে গুলশানের বাসিন্দাদের সংগঠন ‘গুলশান সোসাইটি’।

সংগঠনের সভাপতি ওমর সাদাত বলেন, গুলশান এলাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস রয়েছে। আমরা তাদের সঙ্গে নানা আয়োজনে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার কাজ করতে চাই।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom